জুবায়ের আহমাদ জুয়েল (কিশোরগঞ্জ): , আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ , আজকের সময় : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

কিশোরগঞ্জ-১ আসনে রিকশার শোডাউন: মুফতি হাদীর প্রচারণায় উৎসবমুখর শহর

কিশোরগঞ্জ শহর যেন বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালেই জেগে উঠেছিল এক ভিন্ন উচ্ছ্বাসে। ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের বাতাসে তখন মিশে ছিল রিকশার ঘণ্টাধ্বনি, মোটরসাইকেলের হর্ন, আর জনসমুদ্রের গর্জন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত রিকশা মার্কার প্রার্থী মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদীর নির্বাচনী শোডাউন যেন মুহূর্তেই পরিণত হয় এক উৎসবে।

সকাল ১০টায় শোলাকিয়া ঈদগাহ থেকে যাত্রা শুরু হতেই হাজার হাজার রিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেলের বহর শহরের রাস্তায় ঢেউ তোলে। বহরে আনুমানিক লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি যেন জানান দিল হাদীর প্রতি জনসমর্থন এখন নতুন উচ্চতায়।
শহরের বিভিন্ন মোড়ে দেখা যায় দোকানদার, পথচারী, এমনকি গাড়িচালকরাও মিছিলের দিকে তাকিয়ে হাত নাড়ে; অনেকে মোবাইলে ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ দিতেও ব্যস্ত।

এক দোকানদার হাসিমুখে বললেন, “এত বড় মিছিল আগে কখনো দেখিনি। আলেম প্রার্থী হয়ে এমন দৃশ্য তৈরি করা সত্যিই বিস্ময়কর।”
পর্যবেক্ষক মহলের অনেকে বলছেন, কিশোরগঞ্জে আলেম শ্রেণির কোনো প্রার্থী অতীতে এ রকম গণমুখী শোডাউন করতে পারেননি। তাঁদের ভাষায়, “মুফতি হাদীর ব্যক্তিত্ব, আদর্শিক অবস্থান এবং তৃণমূল সংযোগ এই গণজাগরণের মূল চালিকা শক্তি। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বজায় থাকলে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।”

মিছিলের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের স্বপ্নও শোনান মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদী। তিনি বলেন, “আমি কিশোরগঞ্জ শহরকে একটি মডেল নগরীতে রূপ দিতে চাই। উন্নয়ন, ন্যায়পরায়ণতা ও শান্তির শহর নির্মাণই আমার অঙ্গীকার।”

শোডাউন শেষে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, এই প্রচারণা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এ যেন কিশোরগঞ্জের মানুষের নতুন আশার প্রতীক। রিকশার ঘণ্টার মতোই প্রতিধ্বনিত হয় মানুষের কণ্ঠ
“পরিবর্তন চাই, উন্নয়ন চাই।”

কিশোরগঞ্জ-১ আসনের আগামীদিনের রাজনীতিতে এই শোডাউন যে বড় বার্তা রেখে গেল, তা সকলেই অনুভব করছেন।