বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি : , আপলোডের সময় : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ , আজকের সময় : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬

বেতাগী-পটুয়াখালী সড়কের বেহাল অবস্থা, স্থানীয়দের কলা গাছ রোপন করে প্রতিবাদ

 

বরগুনার বেতাগী-মির্জাগঞ্জ-পটুয়াখালী সড়কটি বেহাল দশায় সবধরনের যানবাহনসহ ও জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। এর প্রতিবাদে স্থানীয়রা কলাগাছ রোপন করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। শনিবার বিকেলে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সড়ক ও জনপদ বিভাগ ২০১৭ সালের জুন মাসে বেতাগী বাসস্ট্যান্ড থেকে পায়রাকুঞ্জ ফেরিঘাট পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার পুন:সংস্কারের জন্য দরপত্র আহ্বান করেন। এতে ৯ কোটি ৭২ লাখ ৭৬ হাজার টাকার অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরিশালের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে কাজ শেষ করে।

গত বর্ষা মৌসুমে অতিবর্ষণে সড়কে পানি জমে ছোট-বড় একাধিক গর্তের সৃষ্টি হয়। বর্ষা চলে গেলেও গর্তগলো দিন দিন আকারে বড় হয়ে চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়ে চলাচলকারীরা। গাড়িচালকসহ যাতায়াতকারী সবার বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। শনিবার বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের বেতাগী উপজেলার বাসন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় কয়েক সপ্তাহ ধরে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও বেতাগী-মির্জাগঞ্জ-পটুয়াখালী এলাকার যাতায়াতকারীদের চলাচলে দুর্ভোগের কারণে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির জন্য সড়কের উপড় কলা গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ করেছেন। একাধিক কোমলমতি শিশুরা জানান, ‘এ জায়গায় অনেকেই দূর্ঘটনার কবলে পরেছেন। তাই ভয়ে ও আতঙ্কে রাস্তা পরাপার হতে হয়।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রকৌশলীর তদারকবিহীন, নিম্নমানের পাথর-খোয়া ও কাদা মিশ্রিত বালির সঙ্গে লোকাল বালির সংমিশ্রণ ও সামান্য বিটুমিন মিশ্রণে সড়কের কাজ করা হয়। খান ইন্ডাস্ট্রিয়ালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাহফুজ খান বলেন, পটুয়াখালী-বেতাগী সড়কের ৬০ ভাগ কাজ মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক এবং বেতাগী বাসস্ট্যান্ড থেকে বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত ও বাজারসংলগ্ন এলাকার বাকি ৪০ ভাগ কাজ বেতাগী পৌরসভার মেয়র এ বি এম গোলাম কবির সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন।

৫ আগষ্টের পট পরিবর্তনের কারণে এলাকায় অবস্থান না করায় ঠিকাদার মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক ও ঠিকাদার মেয়র এ বি এম গোলাম কবির তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। অবশ্য বেতাগী অংশের সাব- ঠিকাদার মো: রাসেল মিয়া বলেন, আমরা যে অংশে কাজ করেছি তা এখনও অক্ষত আছে।

বেতাগী উপজেলা নির্বহী অফিসার মুহ.সাদ্দাম হোসেন বলেন, বিষটিটি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে যতদ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।