নিজস্ব প্রতিবেদক: , আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬ , আজকের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

নারী-শিশুসহ ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে যাত্রীবাহী বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস নারী-শিশুসহ ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা শাজাহান সিকদার এ তথ্য ত করে জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুইজন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এর আগে একই দুর্ঘটনায় পানিতে ডুবে যাওয়া আরও তিনজনকে উদ্ধার করা হয়।

পরে তাদের স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন– এমনটাই জানিয়েছিলেন রাজবাড়ী জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা।
জানা যায়, বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার পরপরই দুই নারীসহ কয়েকজন যাত্রী বাঁচার চেষ্টা করেন। পরে পানি থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে নেওয়ার আগেই ওই দুই নারীর মৃত্যু হয় বলে জানান চিকিৎসকরা।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, তারা আগে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে অবগত কিন্তু তাদের ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেনি।

দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

রাজবাড়ী জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা মোবাইলে বাংলানিউজকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে— কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

তবে দুর্ঘটনার সময় তাৎক্ষণিকভাবে বেশ কয়েকজন সেই বাস থেকে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন। ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয় এবং ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনী উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে।