মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: , আপলোডের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬ , আজকের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

মির্জাগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মো. রমজান আলী ( ২৩ ) নামে এক ব্যক্তির উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ( ২৮ মার্চ) বেলা ১১ টায় উপজেলা প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
হামলার শিকার রমজান আলী উপজেলার কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের মকুমা গ্রামের মো. সোবহান খানের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে থাকে। গত ঈদুল ফিতরের সপ্তাহখানেক আগে ছুটি নিয়ে প্রবাস থেকে দেশের বাড়ীতে আসে তিনি।

এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরাসহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন, ভুক্তভোগী রমজান আলীর পিতা মো. সোবহান খান।

তিনি লিখিত বক্তব্যে সোবহান খান বলেন, গত ২৪ মার্চ বেলা ১১ টার দিকে আমার ছেলে রমজান আলী ও তার স্ত্রী মনজিলা আক্তারকে নিয়ে মকুমা গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে মোটরসাইকেলে সুবিদখালী বাজারে কেনাকাটার জন্য রওনা হয়। কাকড়াবুনিয়ার মেলকারবাড়ী পৌঁছলে পূর্বে ওতপেতে থাকা মাহবুব খান, মো. মিঠু খান, বাচ্চু মৃধা, রাকিব মৃধা, শহিদুল, আলী খানসহ আরও কিছু লোক লোহার রড ও লাঠি নিয়ে আমার ছেলে রমজান আলীর মোটরসাইকেল থামিয়ে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। আমার ছেলে প্রতিবাদ করিলে তাকে এলোপাতাড়ি চর, থাপ্পড় মারে। তখন আমার ছেলে প্রাণ ভয়ে দৌড়ে পাশের একটি চা-বিস্কুটের দোকানে ওঠে আশ্রয় নেয়। তারা সেখানে গিয়ে আমার ছেলের উপর এলোপাতাড়ি হামলা করে। এ হামলায় আমার ছেলে গুরুতর আহত হয়। এ সময় আমার ছেলে ও তার স্ত্রীর ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আমার ছেলেকে হামলাকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করে। তখন হামলাকারীরা বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি ও খুন জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আমার ছেলে রমজান আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

আমি এ ঘটনায় গত ২৪ মার্চ মির্জাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করি। আমি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানাই।