জুবায়ের আহমাদ জুয়েল (স্টাফ রিপোর্টার): , আপলোডের সময় : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬ , আজকের সময় : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

তাড়াইল সদর ইউনিয়নে পরিবর্তনের প্রত্যাশা: চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরে আলম সিদ্দিকীর অঙ্গীকার

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার তাড়াইল সদর ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন মোঃ নূরে আলম সিদ্দিকী একজন শিক্ষিত, রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় এবং সামাজিকভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তি।

তাড়াইল উপজেলার পশ্চিম সাচাইল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম। পিতা মৃত আবুল কাশেম ফকির এবং মাতা আয়শা আক্তারের স্নেহ ও পারিবারিক মূল্যবোধে গড়ে ওঠা নূরে আলম সিদ্দিকীর বেড়ে ওঠা ছিল নৈতিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতায় পরিপূর্ণ।

শিক্ষাজীবনে তিনি ছিলেন অধ্যবসায়ী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ। ১৯৯৮ সালে তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাসের পর তিনি ময়মনসিংহের আনন্দমোহন সরকারি কলেজে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএসএস ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি আইন বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে মোমেনশাহী ল’ কলেজ থেকে এলএলবি সম্পন্ন করেন।
শুধু শিক্ষায় নয়, সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও রয়েছে তার বিচরণ। তিনি একজন সাহিত্যপ্রেমী, লেখক, আবৃত্তিকার এবং অভিনয় শিল্পী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

রাজনৈতিক জীবনে তার পথচলা দীর্ঘদিনের। ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি তাড়াইল উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সহকারী যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক এবং তাড়াইল উপজেলা বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও পেশাগত ক্ষেত্রেও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য সম্পৃক্ততা। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া ইসলামী ব্যাংক (এপিএলসি)-এর তাড়াইল এজেন্ট শাখার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি তার প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন।

স্থানীয় জনগণের কাছে নূরে আলম সিদ্দিকী একজন সহজপ্রাপ্য, সদালাপী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং তাদের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হওয়ায় ইতোমধ্যেই তিনি এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন।

তার নির্বাচনী অঙ্গীকারে রয়েছে একটি সুস্পষ্ট বার্তা “সত্য, সুন্দর ও ন্যায়ের ভিত্তিতে একটি সম্প্রীতিময় সমাজ গঠন।” দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে সঙ্গে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
স্থানীয় ভোটারদের মতে, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার সমন্বয়ে তিনি তাড়াইল সদর ইউনিয়নের জন্য একটি সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব হতে পারেন।

আসন্ন নির্বাচনে জনগণের রায়ই নির্ধারণ করবে তিনি কতটা আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন। তবে ইতোমধ্যেই তার প্রার্থীতা তাড়াইল সদর ইউনিয়নের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং জনমনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।