মোঃ রাসেল মৃধা, বরগুনা প্রতিনিধি , আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬ , আজকের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬

স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি: হাতেনাতে ধরা শ্রমিকদল সভাপতি, জেলহাজতে প্রেরণ

বরগুনার আমতলীতে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায়ের সময় পৌর শ্রমিকদলের এক নেতাসহ দুজনকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন চালক ও স্থানীয়রা। পরে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালত তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দুপুরে আমতলী উপজেলার চৌরাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তিরা হলেন পৌর শ্রমিকদলের সভাপতি মো. মিল্টন হাওলাদার ও তার সহযোগী মো. সুমন মৃধা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিএনজি ও আলফা স্ট্যান্ডে দীর্ঘদিন ধরে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে মিল্টন হাওলাদারের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গত ৭ মার্চ দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। পরবর্তীতে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ স্ট্যান্ডগুলোতে চাঁদা আদায় বন্ধের নির্দেশ দিলে প্রায় দেড় মাস এ কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

তবে চালকদের অভিযোগ, এপ্রিলের শেষ দিকে পুনরায় চাঁদা আদায় শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদা আদায়ের সময় ক্ষুব্ধ চালক ও স্থানীয়রা মিল্টন ও সুমনকে আটক করে আমতলী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

এ ঘটনায় মো. আনোয়ারুল ইসলাম নামে এক চালক বাদী হয়ে থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তাদের আদালতে প্রেরণ করলে বিচারক জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

চালকদের দাবি, গত শনিবার থেকে স্ট্যান্ডগুলোতে আবারও চাঁদা আদায় শুরু হয়েছিল।

এ বিষয়ে বরগুনা জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে মিল্টন হাওলাদারের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণেও এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, চাঁদা আদায়ের সময় আটক দুই ব্যক্তিকে স্থানীয়রা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। পরবর্তীতে মামলার ভিত্তিতে তাদের আদালতে পাঠানো হলে আদালত জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।