জুবায়ের আহমাদ জুয়েল (নিজস্ব প্রতিবেদক): , আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬ , আজকের সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬

জনগণের আস্থার প্রতীক তাড়াইল থানার ওসি শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তাড়াইল থানায় নতুন উদ্যমে দায়িত্ব পালন করছেন তাড়াইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তাঁর কর্মদক্ষতা, মানবিক আচরণ ও সেবামূলক মনোভাব এলাকাবাসীর মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

থানাকে জনগণের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। প্রতিদিন নানা সমস্যা ও অভিযোগ নিয়ে থানায় আসা সাধারণ মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলে থানায় সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তি যেমন কমেছে, তেমনি বেড়েছে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও সন্তোষ।

স্থানীয়দের মতে, ওসি শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম দায়িত্ব নেওয়ার পর থানার পরিবেশে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। সেবাবান্ধব পুলিশিং, অপরাধ দমন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে থানার কর্মকর্তারাও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান অনেকে।

গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের সন্তান শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম ছাত্রজীবন থেকেই ছিলেন মেধাবী ও শৃঙ্খলাপরায়ণ। গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এরপর ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ থানায় দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১০ সালে ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হিসেবে গুলশান থানায় দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে ডিএমপির মুগদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এছাড়াও ধানমন্ডি, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানা, যশোরের ঝিকরগাছা থানা ও বেনাপোল থানায় ওসি হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে অর্জন করেছেন পেশাগত সুনাম।

কর্মজীবনের পাশাপাশি ব্যক্তি জীবনেও তিনি একজন দায়িত্বশীল ও পারিবারিক মানুষ। তিন কন্যা সন্তানের জনক এই পুলিশ কর্মকর্তা সততা, নিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে কাজ করে যাচ্ছেন।

তাড়াইলবাসীর প্রত্যাশা, ওসি শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিমের নেতৃত্বে থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণ আরও নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ পাবে।