প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী-এর আন্তরিক প্রচেষ্টা, দূরদর্শী নেতৃত্ব ও কার্যকর হস্তক্ষেপে অবশেষে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ র্যাবিস ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নান্দাইলবাসীর একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা চাহিদা ছিল এই ভ্যাকসিনের সহজলভ্যতা। অবশেষে সেই প্রত্যাশা পূরণ হওয়ায় স্থানীয় জনগণের মাঝে স্বস্তি, সন্তুষ্টি ও আশাবাদের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগে জলাতঙ্ক রোগের ভ্যাকসিন নিতে রোগীদের জেলা শহর কিংবা দূরবর্তী হাসপাতালে যেতে হতো। এতে সময়, অর্থ ও ভোগান্তি—সবকিছুরই সম্মুখীন হতে হতো সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে কুকুর বা অন্যান্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ত। এখন নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই র্যাবিস ভ্যাকসিন পাওয়া যাওয়ায় দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। নান্দাইলবাসীর স্বাস্থ্যসেবাকে আরও উন্নত, আধুনিক ও সহজলভ্য করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণের মৌলিক অধিকার হিসেবে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তাঁর আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি তদারকি ও উদ্যোগের ফলেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই গুরুত্বপূর্ণ ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে। তাঁরা মনে করছেন, এটি শুধু একটি ভ্যাকসিন সরবরাহ নয়; বরং নান্দাইলের স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
এদিকে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র্যাবিস ভ্যাকসিন চালুর খবরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও স্বাস্থ্যখাতে এমন উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
নান্দাইলবাসীর পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী-এর প্রতি জানানো হয়েছে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। তাঁর নেতৃত্বে নান্দাইলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের ধারা আরও বেগবান হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় জনগণ।