ইতিহাস আর অমরত্ব পাওয়ার মাঝে একটা ঝড় বয়ে গেল। সেই ঝড়টা এলো অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের নবম মিনিটে। শেষ বিশ্বকাপ থেকে এবারের আসর, মেসির পায়ে দেখা মেলে স্রেফ জাদু। মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো সেই মেসি ভুল করবেন তা যেন কল্পনার বাইরে! কিন্তু মেসিও ভুল করলেন। প্রমাণ করলেন, তিনিও মানুষ।
১৯৬৬ সাল থেকে ফিফা বিশ্বকাপে পেনাল্টির রেকর্ড রাখা শুরু হয়। সেই থেকে এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় বিশ্বকাপে তিনটি পেনাল্টি মিস করেননি। মেসিই প্রথম।
নবম মিনিটে পেনাল্টি মিস করে নিজের মুখটাকেই দেখাতে চাইলেন না এলএমটেন। মেসি আসলে পেনাল্টির জন্য প্রস্তুত ছিলেন কিনা সেটাই বিরাট প্রশ্নের! সেই প্রশ্ন আর উত্তর খোঁজার সময়টা আপাতত তোলা থাক।
কিন্তু ম্যাচের ৩৭ মিনিটে মেসি যা করলেন তা তো ইতিহাসের অক্ষয় কালিতে লিখা হয়ে গেল। বক্সের ভেতরে সতীর্থ মেদিনার বাড়ানো পাস ফাঁকায় পেয়ে যান। এবার আর কোনো ভুল নয়। এবার কেবলই লক্ষ্যভেদ করার পালা। সেই বাঁপায়ের একটু বাকানো শট। গোলরক্ষক ঝাপিয়ে মেসি গোলা আটকাতে পারেন না।
মেসি ছুঁয়ে ফেললেন রেকর্ডের সপ্তমস্বর্গ। পেয়ে গেলেন অমরত্বের স্বীকৃতি। যা শুধু তাকেই মানায়। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রথম গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল করার মহাকীর্তি করেছেন মেসি। তার মোট গোল সংখ্যা এখন ১৭।
জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে মেসি এককভাবে এখন গোল সংখ্যার সিংহাসনে।