বিশেষ প্রতিনিধি: , আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬ , আজকের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১১/৭/২০২৬  তারিখে ‘দৈনিক সংবাদ বাংলাদেশ’ পত্রিকায়  মির্জাগঞ্জে “বারেক খালেক দুই সহদরের জালিয়াতি, মৃত মানুশের স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া দলিল, সিআইডির প্রতিবেদন দাখিল” শিরোনামে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। উক্ত সংবাদের অ্যাডভোকেট এম এ রাজ্জাক সরকার,(জর্জ কোর্ট, ঢাকা) এর মাধ্যমে প্রতিবাদলিপি পাঠিয়েছেন আঃ খালেক সিকদার গং। যা নিম্নে প্রকাশ করা হলো।

আইনি নোটিশ (Legal Notice)​

তারিখ: ১২ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.​

প্রাপক: বিশেষ প্রতিনিধি, পটুয়াখালী

সম্পাদক/প্রকাশক, দৈনিক সংবাদ বাংলাদেশ, ঢাকা।

বিষয়: গত ১১/৭/২০২৬  তারিখে আপনার পত্রিকায়  মির্জাগঞ্জে “বারেক খালেক দুই সহদরের জালিয়াতি, মৃত মানুশের স্বাক্ষর জাল করে ভূয়া দলিল, সিআইডির প্রতিবেদন দাখিল” শিরোনামে আমার মক্কেল মোঃ আঃ খালেক সিকদার গং-এর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার প্রসঙ্গে।

জনাব,

আমার মক্কেল মোঃ আঃ খালেক সিকদার, পিতা- মৃত ইসমাইল সিকদার, সাং- ছৈলাবুনিয়া, থানা- মির্জাগঞ্জ, জেলা- পটুয়াখালী কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এবং নির্দেশিত হয়ে আপনাকে/আপনাদেরকে নিম্নোক্ত আইনি নোটিশ প্রদান করছি:​

১) আপনি/আপনারা গত ১১/৭/২৬ ইং তারিখে আপনার বহুল প্রচারিত ‘দৈনিক সংবাদ বাংলাদেশ’ অনলাইন সংস্করণে “পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বারেক খালেক দুই সহদরের জালিয়াতি, মৃত মানুষের সই জাল করে গায়েবি দলিল বেরিয়ে এলো সিআইডির তদন্তে” শিরোনামে একটি সম্পূর্ণ একপেশে, অসত্য সংবাদ প্রকাশ করেছেন।

২) উক্ত সংবাদে আমার মক্কেলকে জড়িয়ে যে সকল তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ একটি তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে করা হয়েছে যা সম্পূর্ন সঠিক নয়।

প্রকৃত সত্য এই যে,

৩) উক্ত কথিত দলিলটি যখন সম্পাদিত হয় (১৯৬৩ সালে), তখন আমার মক্কেলের জন্মই হয়নি। একজন ব্যক্তি তার জন্মের পূর্বের কোনো ঘটনায় বা দলিলে কীভাবে সম্পৃক্ত বা জালিয়াতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ হতে পারেন, তা যে কোনো সুস্থ ও বিবেকবান মানুষের বোধগম্য নয়।​

৩) আমার মক্কেলের পিতা জীবিতাবস্থায় কি দলিল করেছেন বা না করেছেন, তার দায় সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। কিন্তু বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন/চলমান থাকা সত্ত্বেও এবং আদালত কর্তৃক চূড়ান্ত কোনো রায় বা সাজা ঘোষণার পূর্বেই, আপনারা সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে আমার মক্কেলকে ‘জালিয়াত’ ও ‘প্রতারক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে সংবাদ প্রকাশ করেছেন। সিআইডি-র একটি একপেশে তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আদালতের সিদ্ধান্তের আগেই মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে আমার মক্কেলকে অপরাধী সাব্যস্ত করা প্রচলিত সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী এবং দেশের প্রচলিত আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।​

৪) উক্ত সংবাদ প্রকাশের ফলে সমাজে, আত্মীয়-স্বজনের নিকট এবং নিজ এলাকায় আমার মক্কেলের দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম, সামাজিক মর্যাদা ও সম্মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে, যা দণ্ডবিধি মোতাবেক একটি শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ এবং দেওয়ানি আইন অনুযায়ী অপূরণীয় আর্থিক ও মানসিক ক্ষতি (মানহানি)। মূলত একটি কুচক্রী মহলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ইচ্ছায়/অনিচ্ছায় আমার মক্কেল ও তার পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অসৎ উদ্দেশ্যেই আপনারা এই সংবাদ পরিবেশন করেছেন বলে মনে হচ্ছে।

এমতাবস্থায়, আদালতের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত আমার মক্কেলকে নিয়ে কোন ধরনের সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থেকে যে নিউজটি প্রচার হয়েছে সেটি সড়িয়ে ফেলার জন্য অনুরোধ রইল।

অতএব, এই নোটিশ প্রাপ্তির ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে আপনাদের পত্রিকায় সংবাদের প্রতিবাদলিপি প্রকাশ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

আপনার অবগতির জন্য নোটিশের এক প্রস্থ কপি আমার দপ্তরে ভবিষ্যৎ রেফারেন্সের জন্য সংরক্ষিত রাখা হলো।​

ধন্যবাদান্তে,​

এম এ রাজ্জাক সরকার

অ্যাডভোকেট

জর্জ কোর্ট, ঢাকা।

পত্রিকা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:

পত্রিকা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য স্পষ্ট! যে কোন সরকারি বা আইন প্রয়োগকারী তদন্তকারী সংস্থার প্রতিবেদনের আলোকে যে, কোন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করার আইনী এখতিয়ার বা বিধান পত্রিকা কর্তৃপক্ষের রয়েছ। তাহাতে আইনী কোন বাধা নেই, উক্ত সংবাদটি সিআইডির প্রতিবেদনের আলোকেই করা হয়েছে। এর বাইরে কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তারপরেও যেহেতু বিষয়টি এখনো অমিমাংসিত অবস্থায় আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, সেই বিষয়টি ও আঃ খালেক সিকদার গং-এর সামাজিক মর্যাদা বিবেচনা করে উক্ত সংবাদের প্রতিবাদলিপি প্রচার ও নিউজটি সাইড থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সম্মানিত পাঠক, ভিউয়ার এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে ভুল না বুঝে সহযোগীতার অনুরোধ করা হলো।