নিজস্ব প্রতিবেদক: , আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬ , আজকের সময় : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তি চরমে

রাজধানীতে সিএনজির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ সংকট দেখা দিয়েছে।

এ ত্রুটির ফলে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে বলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে।

ফলে ঢাকার সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস মিলছে না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজিচালিত যানবাহনের চালক, গণপরিবহন খাতের কর্মী ও যাত্রীরা। সংকটের প্রভাব পড়েছে চালকদের আয়-রোজগারেও।

রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গ্যাস সংগ্রহের জন্য দিন-রাত দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করছেন চালকেরা। অনেক পাম্পে রাত থেকেই গাড়ির লাইন শুরু হচ্ছে।

একাধিক সিএনজি চালিত গাড়ির চালক জানান, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক সময় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দিনের বড় একটি সময় পাম্পেই কাটছে, যা তাদের স্বাভাবিক আয় ব্যাহত করছে। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকরা।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড-শেয়ারিং সেবার সঙ্গে যুক্ত অনেক চালক বলছেন, সময়মতো গ্যাস না পাওয়ায় তারা যাত্রী পরিবহন করতে পারছেন না। এতে দৈনিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

কিছু চালক অভিযোগ করেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

তাদের দাবি, অতীতেও জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে সংকট দেখিয়ে মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এবারও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে বলে তাদের আশঙ্কা।

অন্যদিকে, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মালিকরাও। তারা দ্রুত এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক করে সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।