মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: , আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ , আজকের সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে ‘জাগরণ’ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন

বর্ণাঢ্য আয়োজন, উৎসবমুখর পরিবেশ ও প্রাণবন্ত উপস্থিতির মধ্য দিয়ে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জাগরণ’ উৎসব ও স্মরণিকা প্রকাশনা অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জ্ঞান, সৃজনশীলতা, মানবিকতা ও তারুণ্যের উদ্দীপনায় মুখর হয়ে ওঠে কলেজ প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী হাফেজ সুলতান আহমদ। বক্তব্যে তিনি শিক্ষা, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীল বিকাশে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য সচিব মো. ছবীর আহমেদ আখন্দ ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মো. জাসিম উদ্দিন হাওলাদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন। সঞ্চালনা করেন শিক্ষক পরিষদের যুগ্ম-সম্পাদক মো. জহীরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল কলেজের প্রকাশনা ‘জাগরণ’-এর মোড়ক উন্মোচন। অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণিকাটির মোড়ক উন্মোচন করেন। এতে জুলাই জাগরণ, নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও সামাজিক মূল্যবোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিক্ষক পরিষদের সাবেক সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন রিয়াজ, সাবেক সম্পাদক মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন, প্রভাষক মো. মনিরুল ইসলাম, প্রভাষক আবুল কালাম, সাবেক সম্পাদক প্রভাষক এমদাদুল হক এবং অতিথি হিসেবে সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবীবুল্লাহ।

বক্তারা বলেন, ‘জাগরণ’ শুধু একটি স্মরণিকা নয়; এটি জ্ঞান, বিবেক, সৃজনশীলতা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যয়ের প্রতীক। তরুণ প্রজন্মকে আলোকিত ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আনন্দ, আবেগ ও সৌহার্দ্যের এক মিলনমেলার সৃষ্টি হয়। অতিথিদের সম্মাননা প্রদান ও স্মরণিকা বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, ‘জাগরণ’ উৎসব ও প্রকাশনা কলেজের শিক্ষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আরও দৃঢ় সেতুবন্ধন তৈরি করবে।