স্টাফ রিপোর্টার: , আপলোডের সময় : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬ , আজকের সময় : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পরিবেশ দূষণের দায়ে চৈতী কম্পোজিটকে ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শীলমন্দী এলাকায় অবস্থিত চৈতী কম্পোজিট লিমিটেডকে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধনের দায়ে ৭৫ লাখ ৪ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করেছে পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, গত ৯ জুন প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়। এ সময় কারখানার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে ইটিপির আউটলেট থেকে তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা গবেষণাগারে পরীক্ষা করা হয়।

পরীক্ষায় বর্জ্যে বায়োকেমিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড বা বিওডি ৭৬ মিলিগ্রাম, কেমিক্যাল অক্সিজেন ডিমান্ড বা সিওডি ৪২৯ মিলিগ্রাম, টিএসএস ১৩৯ মিলিগ্রাম, পিএইচ ৯ দশমিক ১৬ এবং কালার ৫৩৩ পিটি-কো পাওয়া যায়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের দাবি, এসব মান পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা-২০২৩ অনুযায়ী নির্ধারিত গ্রহণযোগ্য মাত্রার বাইরে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পরিবেশ দূষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫-এর সংশোধিত ২০১০ সালের ৭ ধারায় পরিবেশ ও প্রতিবেশগত ক্ষতিসাধনের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে Environmental Damage Assessment-এর ভিত্তিতে চৈতী কম্পোজিট লিমিটেডের বিরুদ্ধে এই ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে।

পরিবেশ রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন বলেন, সোনারগাঁও চৈতী, ক্যান্টাকী,মেঘনাসহ বেশকিছু ডায়িং মিলস এর বিষাক্ত রাসায়নিক বর্জ্যে নদী দূষণের অন্যতম কারণ। পরিবেশ অধিদপ্তরের এ ধরনের কার্যক্রম ক্রমে নদী দূষণকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ায় কিছুটা হলেও পরিবেশের দূষণ কমবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ জেলার উপ-পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ  জানান, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান এবং আইনানুগ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ।