মো মাইন, আদামদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি:  , আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ , আজকের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সান্তাহারে অটো রাইস মিলের প্রভাবে ইরামতি খাল সংরক্ষণের অভাবে বিলুপ্তের পথে

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার শহরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঐতিহাসিক ইরামতি খাল দীর্ঘদিন ধরে দখল,অটো রাইস মিলের মাটি-ছাই ও ময়লা-আবর্জনা জমে ভরাট হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খালের পানি স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।এই খাড়িতে এক সময় গোসল করা জেত,নৌকা চলাচল করতো এখন খাড়িতে কোন ধরনের মাছ পাওয়া যায় না স্থানীয়দের অভিযোগ, সান্তাহার শহরের বিভিন্ন এলাকার ড্রেন ও নালা থেকে বের হওয়া নোংরা পানি ইরামতি খালের মাধ্যমে বিলের দিকে নিষ্কাশিত হয়।

কিন্তু দীর্ঘদিন খালটি সংস্কার ও পরিষ্কার না করায় বিভিন্ন স্থানে মাটি, ছাই, ময়লা-আবর্জনা ও বর্জ্য জমে খালের তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। পাশাপাশি খালের বিভিন্ন অংশ দখল হওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

ফলে বৃষ্টির পানি ও শহরের ড্রেনের পানি স্বাভাবিকভাবে নিষ্কাশিত হতে পারছে না। এতে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধ ও পরিবেশগত সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে । খালের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় মশার প্রজননও বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এলাকাবাসী বলছেন, ইরামতি খালটি সান্তাহার শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খালটির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে না, বরং জনদুর্ভোগও বাড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি, ইরামতি খাল দ্রুত দখলমুক্ত করে ময়লা-আবর্জনা ও জমে থাকা মাটি-ছাই অপসারণ করে সংস্কার করতে হবে। একই সঙ্গে খালের পানি প্রবাহ সচল রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খাল ও জলাধার সংরক্ষণসংক্রান্ত আইন অনুযায়ী প্রাকৃতিক পানি প্রবাহ ও জলাধার রক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

বগুড়া পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) মাহমুদ হাসান বলেন সান্তাহারের ইরামতি খালটি আমাদের প্রকল্পের মাঝে আছে মন্ত্রণালয় থেকে পাস হয়ে আসলে অতি দ্রুত খালের কাজ চালু করা হবে ও প্রশাসনকে নিয়ে খালের জায়গা উদ্ধার করা হবে।