মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা খাজা রহমত আলী কলেজে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। এ বছর কলেজটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫১৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১৬৫ জন। ফেল করেছে ৩৪৮ জন। অর্থাৎ মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৬৮ শতাংশই অকৃতকার্য হয়েছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তৈরি হয়েছে নানা ধরনের সমালোচনা।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণে এ চিত্র দেখা যায়।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, কলেজটির পাসের হার মাত্র ৩২ দশমিক ১৬ শতাংশ। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৫১৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ১৬ জন, মানবিক বিভাগে ১৪১ জন এবং বিজ্ঞান বিভাগে ৮ জন। তিন বিভাগ মিলিয়ে মোট পাস করেছে ১৬৫ জন।
এবছর এইচএসসি পরীক্ষায় এমন ফল বিপর্যয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা। ফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অনেকে এ নিয়ে নানা মন্তব্য ও সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক বলেন, এ বছরের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক। এত বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো না কোনো ঘাটতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, শিক্ষকদের পাঠদান ও সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রমের কোথায় সমস্যা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিষয়টি তদন্ত করে ফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ বের করা উচিত।
এবিষয়ে ঝিটকা খাজা রহমত আলী কলেজের অধ্যক্ষ মো. হামিদুর রহমান বলেন, সারা বাংলাদেশে রেজাল্ট বিপর্যয় হলেও, শিক্ষার মানোন্নয়নে আরো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।