শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আদমদীঘিতে জনদুর্ভোগ কমাতে এগিয়ে আসলেন মোমেনুর রহমান তালুকদার মীম রসায়নে মুসলিমবিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ানের অবদান তাড়াইলে মৎস্যজীবী লীগ নেতা গ্রেফতার, ওলামা দলের তিন কমিটিতেও নাম মোরেলগঞ্জে দেশ অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে নিশানবাড়ীয়ায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ফেনীতে দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মেট্রোরেলে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন চীনের জাতীয় দিবসে শি জিনপিংকে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা স্বৈরাচার-গুপ্ত এক হয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে: প্রধানমন্ত্রী ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির সংরক্ষিত নারী আসন শূন্য ঘোষণা ফেনীর ‘মুহুরী-কহুয়া’ সেচ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮৪২ বার পঠিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান------ ছবি: সংগৃহীত

সবকিছু ঠিক থাকলে ঈদের পর যমুনায় উঠবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তার আগেই ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়ের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানটি সেখানে করবেন সরকারপ্রধান। গণপূর্ত অধিদফতর জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো সংস্কার নয়, চলছে রুটিন কাজ।

আগস্টের অভ্যুত্থানের সময় গণমানুষ গণভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। এরপর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে গড়ে তোলা হয় ভবনটি। ফলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর থাকার সুযোগ আর নেই। এর আগে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে গণভবন ব্যবহার হতো।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য জাতীয় সংসদ ভবন ও আগারগাঁও এলাকায় বাসভবন দেখা হয়েছিল। তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। তাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকেই সরকার প্রধানের বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে দীর্ঘ পথ ও যানজট পেরিয়ে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়মিত অফিস করছেন। যমুনা থেকে কার্যালয় ও সচিবালয় দুইটিরই দূরত্ব কাছাকাছি। ৩০ হেয়ার রোডে অবস্থিত যমুনার আয়তন প্রায় ৮ একর। এর মধ্যে ভেতরের অংশ ৫.২ একর, আর বাইরের অংশ ২.৮ একর। অফিসসহ ভবনের মোট আয়তন ৩৫ হাজার স্কয়ার ফিট।

গণপূর্ত অধিদফতর জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ভেতরের কাজগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে সবই নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ। এর সঙ্গে কিছু ছোটোখাটো সংস্কারও করতে হচ্ছে। হাইজিনিক ওয়াশ এবং রং মেইন কাজ। এছাড়া সিলিংয়ের কিছু পুরনো অংশে সমস্যা থাকলে তা ঠিক করা হচ্ছে।

তবে বড় ধরনের সংস্কার বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমরা কোনো ব্যাপক নির্দেশনা পাইনি। মূলত রুটিন কাজগুলোই আমরা করছি। এটি শেষ করতে বেশি সময় লাগবে না। দুই সপ্তাহের মধ্যে আমরা সব কাজ শেষ করে ফেলব।

এদিকে, সরকার প্রধান যমুনায় এরই মধ্যে দুই দফায় দুটি ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এতে দেশি ও বিদেশি কয়েকশ অতিথি অংশগ্রহণ করেছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..