বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাঠালিয়ায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পরামর্শে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন কৃষকরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিবুল্লাহ সিফাতের নিরলস প্রচেষ্টা মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল তাড়াইলে ছাত্র জমিয়তের নতুন কমিটি: সভাপতি সাঈম সম্পাদক বাপ্পি আইজিপির দেয়া বক্তব্য দেশের জন্য ক্ষতিকর: রিজভী আহমেদ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. জুবাইদার জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পটুয়াখালী মৌজায় ডিজিটাল ভূমি জরিপ উদ্বোধন, ভূমি মালিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

আমতলীতে ব্লক নির্মাণে ব্যবহৃত পাথর আনার অভিযোগ

রাসেল মিয়া, বরগুনা প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৮০১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলীতে পায়রা নদীর তীর রক্ষায় ব্লক নির্মাণকাজে ব্যবহৃত পাথর আনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নদীর তীর সংরক্ষণে ২৫০ মিটার ব্লক নির্মাণের জন্য সিলেট থেকে আনা প্রায় ১২ হাজার ঘনফুট পাথর আগে অন্য কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। পাথরের গায়ে সিমেন্টের আস্তরণও দেখা গেছে বলে অভিযোগ তাদের।

ঘটনাটি ঘটেছে আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া এলাকার পায়রা নদীর তীরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০ নম্বর প্যাকেজের কাজের এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পায়রা নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে নদীর তীর সংরক্ষণে ব্লক নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড। ৪৪/বি পোল্ডারে মোট ৩ হাজার মিটার ব্লক নির্মাণের জন্য ১৩টি প্যাকেজে কাজ দেওয়া হয় বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে। এরই মধ্যে গত দুই বছরে কয়েকটি প্যাকেজের কাজ শেষ হয়েছে।

এর মধ্যে ২০ নম্বর প্যাকেজে প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫০ মিটার নদীতীর সংরক্ষণে ব্লক নির্মাণের কাজ পায় অ্যাডনোচ বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড।

অভিযোগ রয়েছে, ওই প্যাকেজের ব্লক নির্মাণের জন্য গত ১৫ আগস্ট সিলেট থেকে জাহাজযোগে প্রায় ১২ হাজার ঘনফুট পাথর আনা হয়। পরে পাথরগুলো আড়পাঙ্গাশিয়া এলাকায় নদীর তীরে স্তূপ করে রাখা হয়।

স্থানীয় রাকিবুল ইসলাম ও লুৎফর হোসেনের অভিযোগ, আনা পাথরগুলো নতুন নয়; এগুলো আগে অন্য কাজে ব্যবহৃত হয়েছে। পাথরের গায়ে সিমেন্টের আস্তরণ রয়েছে। এসব পাথর দিয়ে ব্লক নির্মাণ করা হলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলেও দাবি করেন তারা। দ্রুত এসব পাথর সরিয়ে মানসম্মত নতুন পাথর আনার দাবি জানান তারা।

শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আড়পাঙ্গাশিয়া এলাকায় পায়রা নদীর তীরে বিপুল পরিমাণ পাথর স্তূপ করে রাখা হয়েছে। কয়েকটি পাথরের গায়ে সিমেন্টের আস্তরণের মতো দাগ দেখা যায়। স্থানীয়দের দাবি, অন্য কাজে ব্যবহৃত পাথরই সেখানে এনে রাখা হয়েছে।

তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অ্যাডনোচ বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজার মো. বদিরুজ্জামান বলেন, এ পাথর পানি উন্নয়ন বোর্ড রিজেক্ট করে দিয়েছে।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. আশিকুর রহমান বলেন, কোম্পানির লোকজন জাহাজ থেকে পাথর আনলোডের ভিডিও আমাকে পাঠিয়েছেন। তবে পাথরগুলো কেমন মানের, তা আমার জানা নেই। তিনি আরও বলেন, অ্যাডনোচ বাংলাদেশ কোম্পানি গত দুই বছরে প্রায় ২০ হাজার ব্লক নির্মাণ করেছে। এখনও অনেক ব্লক নির্মাণের কাজ বাকি রয়েছে।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান বলেন, ব্লক নির্মাণের জন্য পাথর আনার বিষয়টি জেনেছি। পাথরগুলো ল্যাব টেস্টে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় পাথরের গুণগত মান ঠিক না থাকলে ওই পাথর দিয়ে ব্লক নির্মাণ করতে দেওয়া হবে না।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..