শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরের মধ্যে প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান বেতাগীতে মাদকমুক্ত গড়ার প্রত্যয়ে পুলিশ-জনতার প্রীতি ফুটবল ম্যাচ মোরেলগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের বৈঠক আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক মোরেলগঞ্জে নির্মাণাধীন সেফটি ট্যাংকির দেয়াল ধসে শ্রমিক নিহত, আহত ১ আদমদীঘি মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি অনুমোদন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত নান্দাইলে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময়

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগে মৃত্যু শূন্য, তবে রোগীর চাপ বাড়ছে ময়মনসিংহ মেডিকেলে

রবিন বরকত উল্যাহ, ব্যুরো চীফ, ময়মনসিংহ:
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৮৪৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে হাম (Measles)। প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, আর সেই চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৩ জন হাম আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১ জন। গুরুতর অবস্থার কারণে ২ জনকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে উন্নত চিকিৎসার জন্য। যদিও স্বস্তির বিষয়—এই সময়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

বর্তমানে হাসপাতালটির বিভিন্ন ওয়ার্ডে ৮৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের মতে, রোগীর এই ক্রমবর্ধমান চাপ স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫১৫ জন হাম আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪১৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও ১৩ জনের মৃত্যু পরিস্থিতির ভয়াবহতাই তুলে ধরছে।

হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, “হাম খুব দ্রুত ছড়ায়। সময়মতো টিকা না নেওয়া এবং সচেতনতার অভাবই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।”

ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, একাধিক শয্যায় গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিচ্ছে শিশুরা। অনেক মা-বাবা সন্তানকে কোলে নিয়ে বসে আছেন। কারও শরীরে স্যালাইন চলছে, আবার কেউ অপেক্ষা করছেন চিকিৎসকের পরবর্তী নির্দেশনার জন্য। অতিরিক্ত রোগীর চাপে হাসপাতালের শয্যা সংকটও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং গ্রামীণ পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। তা না হলে সামনে আরও বড় সংকট তৈরি হতে পারে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..