বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কাঠালিয়ায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পরামর্শে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন কৃষকরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিবুল্লাহ সিফাতের নিরলস প্রচেষ্টা মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল তাড়াইলে ছাত্র জমিয়তের নতুন কমিটি: সভাপতি সাঈম সম্পাদক বাপ্পি আইজিপির দেয়া বক্তব্য দেশের জন্য ক্ষতিকর: রিজভী আহমেদ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. জুবাইদার জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পটুয়াখালী মৌজায় ডিজিটাল ভূমি জরিপ উদ্বোধন, ভূমি মালিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

৮৫ বছরের বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে, হাসপাতালে মা ও ছোট ছেলে

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৮১৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ৮৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলে জুলহাস প্যাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃদ্ধা মা, ছোট ছেলে ও পুত্রবধূ আহত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আঠারোগাছিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধা কতভানু (৮৫) মৃত সেকান্দর প্যাদার স্ত্রী। তার পাঁচ ছেলে-মেয়ে। এর মধ্যে এক ছেলে মারা গেছেন। বর্তমানে তিন ছেলে ও এক মেয়ে জীবিত রয়েছেন। বড় ছেলে জুলহাস প্যাদা ও ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা বাড়িতে থাকেন। মেঝো ছেলে বাবুল প্যাদা পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃদ্ধা কতভানু ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদার সঙ্গে থাকেন। তার ওষুধ ও দৈনন্দিন খরচের দেখভাল করেন ছোট ছেলে। তবে নিজের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের খরচের জন্য বড় ছেলে জুলহাস প্যাদার কাছে সহযোগিতা চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হতো বলে অভিযোগ করেন বৃদ্ধা।

বৃদ্ধা কতভানুর অভিযোগ, শনিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ছেলে জুলহাস প্যাদা, তার স্ত্রী ও সন্তানরা তাকে মারধর করেন। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা ও তার স্ত্রী শিউলি বেগমকেও মারধর করা হয়।

আহত ফেরদৌস প্যাদা বলেন, আমার মা দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে থাকেন। একার আয়ে সংসার চালানো ও মায়ের চিকিৎসার খরচ বহন করতে কষ্ট হচ্ছে। মা বড় ভাইয়ের কাছে তার খরচের অংশ চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন। আমি ও আমার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আমাদেরও মারধর করা হয়।

বর্তমানে বৃদ্ধা কতভানু, তার ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা ও পুত্রবধূ শিউলি বেগম আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জুলহাস প্যাদার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..