বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কামিল পাস করেও চাকরির অপেক্ষা নয়, ফাস্টফুড ব্যবসায় সফল শারমিন আমতলীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার জনতা ব্যাংক পিএলসি নান্দাইল রোড বাজার শাখা স্থানান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ : ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ তাড়াইল সদর ইউনিয়নে দুঃসময়ের সুহৃদ সাথী নূরে আলম সিদ্দিকী বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম-পরিচালক মাহফুজ উল আলমের বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ও কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির উদ্যোগে অতিরিক্ত ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার বদলি আদেশ গায়েব করে এক যুগ ধরে সিএফ কার্যালয়ে হিসাবরক্ষক ইউছুপ: ৯ ডিভিশন থেকে মাসোহারা ও কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য বিসিএসআইআর স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

৮৫ বছরের বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে, হাসপাতালে মা ও ছোট ছেলে

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৭৬৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলায় ৮৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলে জুলহাস প্যাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃদ্ধা মা, ছোট ছেলে ও পুত্রবধূ আহত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আঠারোগাছিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধা কতভানু (৮৫) মৃত সেকান্দর প্যাদার স্ত্রী। তার পাঁচ ছেলে-মেয়ে। এর মধ্যে এক ছেলে মারা গেছেন। বর্তমানে তিন ছেলে ও এক মেয়ে জীবিত রয়েছেন। বড় ছেলে জুলহাস প্যাদা ও ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা বাড়িতে থাকেন। মেঝো ছেলে বাবুল প্যাদা পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃদ্ধা কতভানু ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদার সঙ্গে থাকেন। তার ওষুধ ও দৈনন্দিন খরচের দেখভাল করেন ছোট ছেলে। তবে নিজের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের খরচের জন্য বড় ছেলে জুলহাস প্যাদার কাছে সহযোগিতা চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হতো বলে অভিযোগ করেন বৃদ্ধা।

বৃদ্ধা কতভানুর অভিযোগ, শনিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ছেলে জুলহাস প্যাদা, তার স্ত্রী ও সন্তানরা তাকে মারধর করেন। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা ও তার স্ত্রী শিউলি বেগমকেও মারধর করা হয়।

আহত ফেরদৌস প্যাদা বলেন, আমার মা দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে থাকেন। একার আয়ে সংসার চালানো ও মায়ের চিকিৎসার খরচ বহন করতে কষ্ট হচ্ছে। মা বড় ভাইয়ের কাছে তার খরচের অংশ চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন। আমি ও আমার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আমাদেরও মারধর করা হয়।

বর্তমানে বৃদ্ধা কতভানু, তার ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা ও পুত্রবধূ শিউলি বেগম আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জুলহাস প্যাদার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..