বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বেকারত্ব নিরসনে কর্মমুখী শিক্ষার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি এশিয়া আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার গেট ভাঙচুর আইজিপির ক্ষমা চাওয়া উচিত: নাহিদ ইসলাম পটুয়াখালীতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, আইন প্রয়োগে কঠোর হওয়ার আহ্বান পটুয়াখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ার আহ্বান যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হরিরামপুরে জুবায়েদ ওমরের নেতৃত্বে বিশাল শোডাউন কাঠালিয়ায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পরামর্শে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন কৃষকরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিবুল্লাহ সিফাতের নিরলস প্রচেষ্টা মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল তাড়াইলে ছাত্র জমিয়তের নতুন কমিটি: সভাপতি সাঈম সম্পাদক বাপ্পি আইজিপির দেয়া বক্তব্য দেশের জন্য ক্ষতিকর: রিজভী আহমেদ

একুশে ফেব্রুয়ারিতে নীরব মোকামিয়া স্কুল: প্রশ্নের মুখে প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম”

বরগুনা বেতাগী প্রতিনিধি মোঃ রাসেল মৃধাঃ
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৮৮০ বার পঠিত
প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম-------- ছবি: সংগৃহীত

মহান ২১শে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস—যে দিনটি বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত গৌরব ও শোকের—সেই বিশেষ দিনে বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দেখা গেছে চরম অবহেলা ও উদাসীনতার চিত্র।

অভিযোগ উঠেছে, শনিবার,২১ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম সকাল ১০টার পরে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে বিদ্যালয়ে কোনো প্রভাত ফেরি, শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ কিংবা আনুষ্ঠানিক কোনো কার্যক্রমই অনুষ্ঠিত হয়নি।

বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে দেখা যায়, সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ প্রধান শিক্ষকের অপেক্ষায় বসে আছেন। অন্যদিকে উপজেলার প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হলেও মোকামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

এদিন বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অসহায়ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে না থেকে বাজার ও রাস্তায় সময় কাটায়, যা এই দিনের গুরুত্বের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান এবং অত্যন্ত লজ্জাজনক।
প্রধান শিক্ষকের আনোয়ারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে প্রথমে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে দ্বিতীয়বার কল করলে তিনি জানান, “আজকের কোনো চিঠিতে নির্দেশনা ছিল না,” এবং রমজান মাসের অজুহাত তুলে কার্যক্রম না হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।

স্থানীয়দের মতে, ভাষা শহীদদের প্রতি এমন অবহেলা ও অসম্মান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..