বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পটুয়াখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন, পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ার আহ্বান যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে হরিরামপুরে জুবায়েদ ওমরের নেতৃত্বে বিশাল শোডাউন কাঠালিয়ায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পরামর্শে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন কৃষকরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিবুল্লাহ সিফাতের নিরলস প্রচেষ্টা মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল তাড়াইলে ছাত্র জমিয়তের নতুন কমিটি: সভাপতি সাঈম সম্পাদক বাপ্পি আইজিপির দেয়া বক্তব্য দেশের জন্য ক্ষতিকর: রিজভী আহমেদ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. জুবাইদার জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন

সাংসদের নির্দেশ অমান্য করে আটককৃত চাঁদাবাজকে ছেড়ে দিলো পুলিশ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮৫৫ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি ও অটোচালককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মোঃ মনিরুল ইসলাম, মিরাজ ও মেহেদী হাসান নামে তিন জনের বিরুদ্ধে। রবিবার সন্ধ্যায় চালিতাবুনিয়া গ্রামে স্থানীয় অটোচালক কবির হাওলাদারের সঙ্গে সংঘর্ষের পর জনতা মিরাজকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। অপর দুই চাঁদাবাজ পালিয়ে যায়। আহত মনিরুল ইসলামকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, এ ঘটনায় বরগুনা-১ আসনের সংসদ মাওলানা মোঃ মাহমুদুল হোসাইন অলী উল্লাহ আমতলী থানার ওসিকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। কিন্তু ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন সাংসদের নির্দেশ অমান্য করে বিএনপি নেতাদের মধ্যস্থতায় মিরাজ সিকদারকে ছেড়ে দেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রবিবার বিকেলে উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের অটোচালক কবির হাওলাদার যাত্রী নিয়ে তালুকদার বাজার যাচ্ছিলেন। তখন তিনজন মোটরসাইকেলে চড়ে তাকে থামিয়ে যাত্রী নামিয়ে দেন। পরে তাঁকে গাঁজা ব্যবসার অভিযোগে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। অটোচালক চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে পুলিশে ধরানোর হুমকি দেওয়া হয়। স্থানীয়রা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর চাঁদাবাজরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে স্থানীয় জনতা ও অটোচালক মিলিত হয়ে তাঁদের গণধোলাই দেয়।

অটোচালক কবির হাওলাদারের স্ত্রী মোসাঃ মামনি বেগম বলেন, আমরা সাধারণ মানুষ, দিন আনি দিন খাই। ওসির কাছে গিয়ে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারছি না। উকিলরা মামলা লিখে দিতে রাজি নয়।

আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমার কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি। পক্ষদ্বয় মিমাংশা হয়েছে। আমি কাউকে আটকও করিনি, কাউকে ছেড়েওনি।

বরগুনা-১ আসনের সাংসদ মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলী উল্লাহ বলেন, আমি বিষয়টি দেখবো। থানার ওসিকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। আদেশ অমান্য করা হয়েছে কি না তা যাচাই করা হবে।

এই ঘটনার মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা সাংবাদিক পরিচয়ধারী চাঁদাবাজদের বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..