গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলায় ভিজিটিং কার্ডের আড়ালে দেহব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে এসব ভিজিটিং কার্ডের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
বিশেষ করে মাওনা চৌরাস্তা থেকে গড়গড়িয়া মাস্টার বাড়ি পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এসব কার্ড পড়ে থাকতে দেখা যায়। পথচারী, যানবাহনের স্টপেজ, দোকানপাটের সামনে এবং ফুটপাতের আশপাশে কার্ডগুলোর উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে।
এছাড়া আনসার রোড ফ্লাইওভার-এর নিচে এবং আশপাশের এলাকাতেও ভিজিটিং কার্ডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। ফ্লাইওভারের নিচের অংশটি জনসমাগমপূর্ণ হওয়ায় এখানে এসব কার্ড ফেলা বা বিতরণ করা হয় বলে স্থানীয়দের ধারণা।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব ভিজিটিং কার্ডে থাকা মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে গোপনে যোগাযোগ স্থাপন করে অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে তেমন আলোচিত না হলেও নির্দিষ্ট মাধ্যম ব্যবহার করে এসব কার্যক্রম চলছে বলে তারা দাবি করেন।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা জানান, মহাসড়কের মতো ব্যস্ত এলাকায় এ ধরনের কার্যকলাপ সামাজিক পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এতে করে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ বিভ্রান্ত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি ও অভিযান জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, নিয়মিত তদারকি এবং সংশ্লিষ্ট চক্র চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
এমতাবস্থায়, মাওনা চৌরাস্তা থেকে আনসার রোড ফ্লাইওভারসহ শ্রীপুরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে কথিত দেহব্যবসার অভিযোগ স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।