শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
তাড়াইলের গজেন্দ্রপুর দালানবাড়ি মাদরাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন: তদন্ত কমিটি আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব সাইফুল হাসানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ যশোরের বসুন্দিয়া ভূমি কর্মকর্তা পলাশের ‘হাদিয়া’র নামে ওপেন সিক্রেট ঘুষ বাণিজ্য: মাদ্রাসার জমি নামজারিতেও ৪০ হাজার টাকা ঘুষ! ধানমন্ডিতে ১২ বছরের গৃহকর্মী শিশু রিক্তার মৃত্যু: অভিযুক্ত পাউবো প্রকৌশলী সবিবুর রহমান দম্পতির ১৫ দিনে জামিন, নেপথ্যে টাকা নাকি চাপ? এলজিইডি নারায়ণগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানউজ্জামান দুলালের শত কোটি টাকার অনিয়ম ১৫বছরের চাকরি জীবনে ৯০ লাখ টাকা বেতন পেয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মনিরুজ্জামান গড়েছেন শতকোটি টাকার সম্পদ দুর্নীতির অভিযোগে দক্ষিণ সিটির আনিস, বোরহান চসিকের শাহীন, ফারজানা মুক্তা ৪ প্রকৌশলীর দেশ ত্যাগ ঠেকাতে নির্দেশ সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসের নায়েব ঘুষের ‘মহারাণী’ শর্মিষ্ঠা সরকারের মাসিক হাত খরচ লাখ টাকা মোহাম্মদপুর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে আওয়ামী কমিশনার সফি উল্লাহ সফির বিশ্বস্ত হাতিয়ার উমেদার ‘আওলাদ সিন্ডিকেট’ জিম্মি সাধারণ সেবাগ্রহীতারা কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার কাজিয়া সুলতানা দম্পতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি করে অঢেল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব সাইফুল হাসানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৭৫২ বার পঠিত

আইসিটি বিভাগের যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল হাসানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রশাসনিক অনিয়ম, সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার, বদলি বাণিজ্য, কমিশন গ্রহণ এবং সরকারি অর্থের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোহাম্মদ সাইফুল হাসান।

২৪তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল হাসান বর্তমানে আইসিটি বিভাগের পাশাপাশি অধীনস্থ একাধিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের দাবি, একই সঙ্গে প্রশাসনিক, প্রকল্প ও ক্রয়সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকায় স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি যুগ্মসচিব (প্রশাসন), আইসিটি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের দুটি সদস্য পদ এবং ১৪টি জেলায় আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।

এই দায়িত্বগুলোর সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের টেন্ডার, ক্রয়প্রক্রিয়া ও বাজেট অনুমোদনে প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে। তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, কয়েকটি প্রকল্পে নির্দিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কমিশন গ্রহণ, সীমিত দরপত্র (RFQ) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং সরকারি অর্থ অপব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।

আইসিটি বিভাগের কয়েকটি প্রকল্পে অফিস কক্ষ সংস্কার ও সাজসজ্জার ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে জনতা টাওয়ার সংস্থার প্রকল্পে কারিগরি যোগ্যতার পরিবর্তে অন্য বিবেচনায় ঠিকাদার নির্বাচন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বক্তা, সঞ্চালক বা প্রশিক্ষক হিসেবে সম্মানী গ্রহণ, প্রকল্প ব্যয়ের অনিয়ম, বদলির ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন এবং বিনিয়োগ—সংক্রান্ত ফাইল নিষ্পত্তিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন করেছেন অভিযোগকারীরা।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সদস্য (বিনিয়োগ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কিছু বিনিয়োগকারীর ফাইল নিষ্পত্তিতে অনিয়ম হয়েছে এবং জমি বরাদ্দের ক্ষেত্রেও নিয়মবহির্ভূত আর্থিক লেনদেনের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি তাঁর বিদেশ সফরের সরকারি আদেশ প্রকাশে বিলম্ব করা হয়েছে। তাঁদের ভাষ্য, বিষয়টি সংবাদমাধ্যমের নজর এড়ানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগেরও স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে যুগ্মসচিব মোহাম্মদ সাইফুল হাসান বলেন, ‘আমার অফিসে আসেন অথবা সচিব মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেন। আমার সম্পর্কে সব তথ্য জানতে পারবেন। আমি কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই।’

অভিযোগকারীদের দাবি, উত্থাপিত বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক। তাঁদের মতে, প্রয়োজন হলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়গুলো অনুসন্ধান করা উচিত।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..