সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী ভূমি দখলকারীদের কঠিন হুঁশিয়ারি, এক পার্সেন্ট জমিও ছাড় নয় : ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন নান্দাইলে পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুশুলী ইউনিয়ন বিএনপির মিছিল ও আলোচনা সভা মোরেলগঞ্জে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তাফা হাওলাদারকে বিদায়ী সংবর্ধনা আদমদীঘিতে বাবার চেয়ে মেয়ের ১০৪ বছর বয়স বেশি! আড়াইহাজারে বায়ুদূষণের দায়ে টেক্সটাইল কারখানার ১ লাখ টাকা জরিমানা মোরেলগঞ্জে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল লিটারে ২০ টাকা নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী চার মন্ত্রীসহ ৩৫ জন এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে

আদমদীঘিতে বাবার চেয়ে মেয়ের ১০৪ বছর বয়স বেশি!

মো মাইন, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৭৫৮ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বহীনতায় জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল জন্মতারিখ নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বগুড়ার আদমদীঘির রাজিয়া সুলতানা নামে এক নারী। পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯২২ সালের ২০ জুন। সে হিসাবে তাঁর বর্তমান বয়স ১০৪ বছর। অথচ তাঁর বাবা আব্দুর রহিম খন্দকারের জন্ম ১৯৩৭ সালের ৫ আগস্ট। বাবার বয়স বর্তমানে ৮৯ বছর। অর্থাৎ সরকারি নথির হিসাবে মেয়েই বাবার চেয়ে ১৫ বছরের বড়! এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

জানা যায়, উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ইন্দইল গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম খন্দকারের সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে রাজিয়া সুলতানা। তাঁর চার বোন ও এক ভাই রয়েছেন। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯৮৯ সালের ১২ এপ্রিল। সে হিসাবে বর্তমানে তাঁর বয়স ৩৭ বছর। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখ ১৯২২ সালের ২০ জুন উল্লেখ থাকায় সরকারি নথিতে তাঁর বয়স দেখাচ্ছে ১০৪ বছর।

অন্যদিকে, রাজিয়া সুলতানার বাবা আব্দুর রহিম খন্দকারের জন্ম ১৯৩৭ সালের ৫ আগস্ট। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী তাঁর বয়স ৮৯ বছর। ফলে বাবা-মেয়ের বয়সের হিসাবেই তৈরি হয়েছে অদ্ভুত পরিস্থিতি মেয়ের বয়স বাবার চেয়ে ১৫ বছর বেশি! ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় নির্বাচন অফিসের লোকজন ভুলবশত তাঁর জন্মসাল ১৯৮৯ এর পরিবর্তে ১৯২২ উল্লেখ করা হয়। এ ভুল সংশোধনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাননি তিনি। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত বয়সের মিল না থাকায় বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাঁকে।

বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার ফজলুল করিমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..