শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড: অশনিসংকেত কি উপেক্ষিতই থাকবে? এক লাখ টাকা ঘুস না দেওয়ায় মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগ গ্রাম্য শালিস ব্যবস্থার অবক্ষয়: ন্যায়বিচারের নামে শোষণের নতুন রূপ আমতলীতে যুবলীগের সাবেক সহসভাপতি আটক, ইসলামী আন্দোলনের জিম্মায় হস্তান্তর মহিপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির ইন্তেকালে গভীর শোক দুই প্রার্থীতে বিভ্রান্ত বিএনপি ভোটার তাড়াইলে মারকাযুল উলূম আল ইসলামিয়ার বর্ষ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ আমতলীতে গভীর রাতে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভস্মীভূত দলীয় বিভাজন ও হেভিওয়েট প্রার্থীর প্রতিযোগিতায় পটুয়াখালী-৩ আসন এলপিজি গ্যাস আমদানি ও দেশীয় উৎপাদনে ভ্যাট কমল

র‍্যাবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ‘অত্যন্ত গর্হিত কাজ’ : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২
  • ৬২৪৭ বার পঠিত
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ওপর দেওয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ‘অত্যন্ত গর্হিত কাজ’— মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

র‍্যাবের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংস্থাটির ফোর্সেস দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, যারা আমাদের বিনা কারণে, বিনা দোষে র‍্যাবের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তাদের দেশে কিন্তু এ ধরনের অপরাধ করলে, কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় না।’

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি র‍্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধ পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, সেখানে বাচ্চা ছেলেকে গুলি করে মারল, রাস্তায় ফেলে পা দিয়ে গলা চেপে (জর্জ ফ্লয়েড) মেরে ফেলে দিল। সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নামে কেউ অপরাধ করলেও শাস্তি দেওয়া হয় না। কিন্তু পৃথিবীতে বাংলাদেশ একমাত্র দেশ, এখানে কেউ অপরাধ করলে, আমরা শাস্তির বিধান করি।

র‍্যাবের সাফল্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জলদস্যু, বনদস্যু বা মাদক, বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সাফল্য, আমি জানি না, আমাদের এ সাফল্যগুলোতে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) কোনো দুঃখ পেয়েছে কি না। বাংলাদেশ যে সাফল্য অর্জন করেছে, এটাই হলো সত্য। সেক্ষেত্রে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমেরিকা যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃত খুনিকে স্থান দিয়েছে। সেখানে যুদ্ধাপরাধীরা স্থান পেয়েছে, জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত খুনিও বসবাস করে। তাদের ফিরিয়ে দিতে আমরা বার বার তাদের অনুরোধ করছি, প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি দিচ্ছি, একের পর এক প্রেসিডেন্ট আসছে, আমরা তার কাছে ধরনা দিয়ে যাচ্ছি। জাস্টিজ ডিপার্টমেন্টে আমরা জানিয়েছি, এরা অপরাধী, শিশু ও নারী হত্যাকারী, খুনি। তাদের আমাদের দেশে ফেরত দিতে হবে। তারা অপরাধীদের রক্ষা করে, তাদের দেশে স্থান দেয়। আর বিনা অপরাধে আমাদের দেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এটা যাদের চরিত্র, তাদের বিষয়ে আর কী বলব!

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..