কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার ৪নং জাওয়ার ইউনিয়নে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। দীর্ঘদিনের প্রচলিত নেতৃত্বের বাইরে গিয়ে নতুন, সৎ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের খোঁজে এখন মুখিয়ে স্থানীয় জনগণ। আর সেই প্রত্যাশার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন এক তরুণ আলেম মাওলানা বাহাউদ্দীন রাজন।
ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত, নৈতিকতায় দৃঢ় এবং সমাজসেবায় সক্রিয় এই প্রার্থী ইতোমধ্যেই এলাকাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। কিশোরগঞ্জের বত্রিশ এলাকায় অবস্থিত জামিয়া ফারুকিয়া মাদরাসা থেকে ২০১১ সালে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান) সম্পন্ন করা বাহাউদ্দীন রাজন ছাত্রজীবন থেকেই ইসলামী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, তিনি শুধু একজন প্রার্থী নন বরং একজন বিশ্বাসযোগ্য মানুষ। সততা, আমানতদারিতা ও পরহেজগারিতার কারণে ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। অনেকেই মনে করেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে, কমবে দুর্নীতি ও অনিয়ম।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন নেতৃত্ব চাই, যিনি আমাদের কথা শুনবেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন এবং সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করবেন। বাহাউদ্দীন রাজনের মধ্যে আমরা সেই গুণাবলিই দেখতে পাচ্ছি।”
নিজের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে বাহাউদ্দীন রাজন বলেন, “ছাত্রজীবন থেকেই মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে সেই সেবার পরিধি আরও বাড়াতে চাই। আমার লক্ষ্য দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত একটি সমাজ গড়ে তোলা।”
তরুণ এই প্রার্থীকে ঘিরে যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে, তা নির্বাচনের ফলাফলে কতটা প্রতিফলিত হবে এখন সেদিকেই তাকিয়ে জাওয়ার ইউনিয়নের মানুষ। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট পরিবর্তনের প্রত্যাশায় এবার তারা নতুন নেতৃত্বকে সুযোগ দিতে চায়।