বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কাঠালিয়ায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও পরামর্শে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন কৃষকরা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মহিবুল্লাহ সিফাতের নিরলস প্রচেষ্টা মোরেলগঞ্জে খাল থেকে উদ্ধার মরদেহের পরিচয় মিলেছে, নিহত কিশোর মফিজুল তাড়াইলে ছাত্র জমিয়তের নতুন কমিটি: সভাপতি সাঈম সম্পাদক বাপ্পি আইজিপির দেয়া বক্তব্য দেশের জন্য ক্ষতিকর: রিজভী আহমেদ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. জুবাইদার জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পটুয়াখালী মৌজায় ডিজিটাল ভূমি জরিপ উদ্বোধন, ভূমি মালিকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

আমতলীতে অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল করে দুই শিক্ষকের স্কেল আবেদনের অভিযোগ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৮২৭ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল করে দুইজন শিক্ষকের বিএড ও টাইম স্কেলের জন্য আবেদন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউনুছ হাওলাদার সোমবার সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি গাজী কাওসার আহম্মেদ, দুই শিক্ষক মোঃ আনিশা আক্তার, অলীউল্লাহ ও অফিস সহকারী মোঃ রেজাউল করিম ভুয়া রেজুলেশন এবং প্রত্যয়ন ও অভিজ্ঞতা পত্রে আমার স্বাক্ষর জাল করে এ প্রতারনা করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী তার।

লিখিত সংবাদ সম্মেলনে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউনুস হাওলাদার বলেন, মাদ্রাসার জীব বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষিকা মোসাঃ আনিশা আক্তার তার বিএড স্কেল এবং আরবি শিক্ষক মোঃ অলী উল্লাহ তার টাইম স্কেলের জন্য সভাপতির বরাবর আবেদন করেছেন। এ আবেদনের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। পরে মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি গাজী কাওসার আহম্মেদ, দুই শিক্ষক মোসাঃ আনিশা আক্তার, অলী উল্লাহ ও অফিস সহকারী মোঃ রেজাউল করিমের যোগসাজসে কমিটির স্কেলের ভুয়া রেজুলেশন, প্রত্যায়ন ও অভিজ্ঞতা সনদ তৈরি করেন। ওই কাগজপত্রে আমাকে স্বাক্ষর দিতে বলেন, কিন্তু আমি ভুয়া কাগজপত্রে স্বাক্ষর দিকে অস্বীকার করি। এরপর তারা আমার স্বাক্ষর জাল করে গত জুন মাসে মাদ্রাসা অধিদপ্তরে তাদের কাগজপত্র অনলাইনে সাবমিট করেছেন। গত ১২ জুলাই বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমি এ কাগজপত্রে স্বাক্ষর না দেয়ায় আমাকে নানাভাবে হয়রানী করেছেন এবং হুমকি দিচ্ছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী অধ্যক্ষের।

এ বিষয়ে অফিস সহকারী মোঃ রেজাউল করিম বলেন, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সভাপতি কাগজপত্র গুচিয়ে আমাকে দিতে বলেছেন। আমি তাদের নির্দেশ ফলে করেছি। এর বেশী আমি কিছুই জানিনা।

সহকারী শিক্ষিকা মোসাঃ আনিশা আক্তার বলেন, আমি যোগ্যতা মোতাবেক অধ্যক্ষের বরাবরে বিএড স্কেলের আবেদন করেছি। অধ্যক্ষ ও ব্যবস্থাপনা কমিটি সঠিকতা যাচাই করে কাগজপত্র ঠিক করে দিয়েছেন। আমি শুধু অনলাইনে কাগজপত্র সাবমিট করেছি। এখানে আমি কেন অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল করতে যাব?

সহকারী শিক্ষক মোঃ অলী উল্লাহ অধ্যক্ষের স্বাক্ষর জাল করার কথা অস্বীকার করে বলেন, টাইম স্কেলের সময় হওয়ায় অধ্যক্ষ বরাবরে আবেদন করেছি। অধ্যক্ষ ও ব্যবস্থাপনা কমিটি টাইম স্কেলের অনুমতি দিয়েছেন। তাই অনলাইনে কাগজপত্র সাবমিট করেছি।

মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি গাজী কাওসার আহম্মেদ বলেন, অধ্যক্ষ নিজের অপরাধ ধামাচাপা দিতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন। তিনি আরো বলেন, অধ্যক্ষ তার নিজের নিয়োগ অবৈধ। এর আগে তিনি একটি মাদ্রাসায় জুনিয়র মৌলুভী হিসেবে চাকুরী করেছেন। তা গোপন রেখে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ নিয়েছেন। এছাড়াও মাদ্রাসার পাঁচ লক্ষাধীক টাকা আত্মসাৎ করেছেন। ফলে তাকে ওএসডি করে রাখা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, অধ্যক্ষের এমন কর্মকান্ড নিয়ে যখন কমিটির লোকজন কাজ শুরু করেছেন, তখনই তিনি এমন অভিযোগ তুলেছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..