সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশে আরো একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ২০২৪ সালে পরিদর্শন কর্মকর্তার মন্তব্যের পরও ২০২৫–২৬ সালের হাজিরা নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে থুতু নিক্ষেপ ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড একই অভিযোগে বারবার জরিমানা, তবুও বদলায়নি রহমানিয়া পাম্প ঢাকায় হচ্ছে আরেকটি মেট্রোরেল, একনেকে উঠছে প্রকল্প স্থানীয় সরকার নির্বাচন ১২ নভেম্বর শুরু: ইসি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মঙ্গলবার রাত থেকে আগের অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী নান্দাইলে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান বাড়াতে আন্তঃসংলাপ সান্তাহারে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক কর্মকাণ্ড

২০২৪ সালে পরিদর্শন কর্মকর্তার মন্তব্যের পরও ২০২৫–২৬ সালের হাজিরা নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৭৫১ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৭ নম্বর দেবরাজ দিঘীরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী শওকাত তালুকদারের নিয়মিত উপস্থিতি ও হাজিরা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা পর্যালোচনার দাবি করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল।

স্থানীয়দের দাবি, ২০২৪ সালে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে তৎকালীন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সজল মহলী হাজিরা খাতায় একটি মন্তব্য লিখে যান। সেখানে কর্মচারীর হাজিরা সংক্রান্ত বিষয়টি স্পষ্ট নয় বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর ২০২৫ ও ২০২৬ সালের হাজিরা খাতায় সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিয়মিত উপস্থিতির স্বাক্ষরও দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল কৃষ্ণ মিস্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সে তার নিজ খেয়াল-খুশিমতো ছুটি গ্রহণ করে। এমনকি আমাকে লিখিত আবেদন পর্যন্ত দেয় না।”

প্রধান শিক্ষকের এমন বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে—একজন সরকারি কর্মচারী লিখিত ছুটির আবেদন না করেও কীভাবে ছুটি ভোগ করছেন এবং তার অনুপস্থিতির বিষয়টি কীভাবে নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর উপস্থিতি, ছুটির আবেদন, হাজিরা ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, কর্মচারী নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকলেও তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারা উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে হাজিরা খাতা, ছুটির আবেদন, উপস্থিতির প্রত্যয়ন ও বেতন-ভাতা সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পাঁচগাঁও ক্লাস্টারের বর্তমান উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, “আমি সদ্য এই ক্লাস্টারে যোগদান করেছি। বিদ্যালয়ের কর্মচারীর অনিয়মের বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি শিগগিরই বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করবেন বলেও জানান।

এখন দেখার বিষয়, সরেজমিন পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ে এসব অভিযোগের সত্যতা কতটুকু পাওয়া যায় এবং সত্যতা মিললে দায়িত্বে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..