রাজধানীর বাজারে আগাম শীতকালীন সবজির দাম বেশ চড়া। পেঁপে ছাড়া অধিকাংশ সবজিই কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। শীতের মৌসুম পুরোপুরি শুরু না হলেও বাজারে শিমের কেজি ২০০ টাকা। তবে ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি এসেছে কাঁচামরিচের দামে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজি, মাছ, মাংস ও ডিমের দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে বর্তমানে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৩০ টাকা। টমেটোর দাম ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা এবং গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজি। বরবটি, ঝিঙে ও করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। আকার ও ধরনের ওপর নির্ভর করে প্রতিটি লাউয়ের দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা।
এদিকে মাংস ও ডিমের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক ডজন ডিমের দাম ১৫৫ টাকা, আর চারটি ডিম পাওয়া যাচ্ছে ৫৫ টাকায়।
মাছের বাজারে মোটামুটি স্থিতিশীলতা থাকলেও মাছের আকার, তাজা বা মৃত হওয়া এবং বাজারভেদে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দামের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
সহজলভ্য মাছের মধ্যে পাঙাশ ও তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি। আকারভেদে রুই ও কাতলার দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। চাষের কই, শিং, মৃগেল, পাবদা, ভেটকি ও পোয়া মাছের কেজি ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকার মধ্যে।
অন্যদিকে দেশি কই, বাইম, ট্যাংরা ও সাধারণ শোলের দাম তুলনামূলক বেশি। এসব মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর চিংড়ি, রূপচাঁদা, নদীর বেলে ও বড় শোলের মতো দামি মাছ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে কেজিপ্রতি এক হাজার টাকার বেশি।
মাছের দামের ওঠা-নামার বিষয়ে বিক্রেতারা বলছেন, মাছের নির্দিষ্ট কোনো দাম নেই। মূলত সরবরাহের ওপরই দাম নির্ভর করে। বাজারে মাছের সরবরাহ বেশি থাকলে দাম কমে, আবার ক্রেতার চাপ বাড়লে দামও বেড়ে যায়। এমনকি সকাল ও বিকেলের মধ্যেও দামের পরিবর্তন হতে পারে।