শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের সহকারী-অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিযুক্ত হলেন দৈনিক সংবাদ বাংলাদেশের আইন উপদেষ্টা অ্যাড: খন্দকার এম. মনিরুজ্জামান বাংলাদেশের সহকারী-অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিযুক্ত হলেন মির্জাগঞ্জের কৃতি সন্তান অ্যাড: খন্দকার এম. মনিরুজ্জামান সান্তাহারে যুবসমাজকে খেলাধুলা মুখী করতে বল বিতরণ আমতলীতে পিভিএ ও এনএসএস-এর উদ্যোগে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা বিতরণ বন্ধ কারখানা মালিকদের সুখবর দিল প্রধানমন্ত্রী কামিল পাস করেও চাকরির অপেক্ষা নয়, ফাস্টফুড ব্যবসায় সফল শারমিন আমতলীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার জনতা ব্যাংক পিএলসি নান্দাইল রোড বাজার শাখা স্থানান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ : ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ তাড়াইল সদর ইউনিয়নে দুঃসময়ের সুহৃদ সাথী নূরে আলম সিদ্দিকী

তাড়াইলে মাটিতে নষ্ট হচ্ছে কয়েক লক্ষ টাকার গাছ

আনোয়ার হোসাইন জুয়েল, তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৬০০৩ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ২০২২ সালে উপজেলা পরিষদের লক্ষাধিক টাকা মূল্যের অনেকগুলো সরকারি গাছ কাটা হয় । কাটা এসব গাছগুলো এখনো মাটিতে পড়ে থাকায় নষ্ট হচ্ছে চোখের সামনে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নির্মাণাধীন উপজেলা কমপ্লেক্স এর পাশেই পড়ে রয়েছে বড় বড় গাছের টুকরো। গাছগুলোর মধ্যে রয়েছে মেহগনি, রেইনট্রি ইত্যাতি প্রজাতি। বিশাল বিশাল গাছের টুকরোগুলো দীর্ঘদিন ধরে মাটিতে পড়ে থাকায় বৃষ্টির পানিতে ভিজে পঁচে, ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হচ্ছে। অপচয় হচ্ছে সরকারি সম্পদ। সরকারি সম্পদ বছরের পর বছর ধরে এভাবে পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ নিয়ে নেই কোনো মাথাব্যথা।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, তাড়াইল উপজেলা পরিষদের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ৪-৫টি রেইনট্রি ও মেহগনি গাছ কাটা হয়। যার বাজারমূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। তাছাড়া তাড়াইল-নান্দাইল রাস্তা উন্নয়নের সময় কাটা হয় আরো ২-৩টি রেইনট্রি ও মেহগনি গাছ কাটা হয়। যেখানে ৩-৪টি গাছ প্রায় ৩০-৩৫ বছর পূর্বের। প্রায় ২-৩ বছর ধরে এই গাছগুলো এভাবে পড়ে থাকলেও কর্তৃপক্ষ এর কোনো খোঁজ নিচ্ছে না। যার কারণে গাছগুলো মাটির সাথে মিশে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি রেইনট্রি গাছ মাটির সাথে মিশে প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে।

উপজেলার স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বললে তারা জানান, ‘আজ কয়েক বছর ধরে দেখছি এত বড় বড় গাছের টুকরো গুলো এভাবে পড়ে আছে। গাছগুলো ফেলে রেখে অযথাই নষ্ট করছে।’ চোখের সামনেই কয়েক লাখ টাকা মূল্যের সরকারি গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল মামুন বলেন, আমি অত্র উপজেলায় সদ্য বদলী হয়ে এসেছি। গাছ পড়ে থাকার বিষয়টি ইতিমধ্যে আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমি খুব দ্রুতই ইহার একটা ব্যবস্থা করব।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..