শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের সহকারী-অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিযুক্ত হলেন দৈনিক সংবাদ বাংলাদেশের আইন উপদেষ্টা অ্যাড: খন্দকার এম. মনিরুজ্জামান বাংলাদেশের সহকারী-অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিযুক্ত হলেন মির্জাগঞ্জের কৃতি সন্তান অ্যাড: খন্দকার এম. মনিরুজ্জামান সান্তাহারে যুবসমাজকে খেলাধুলা মুখী করতে বল বিতরণ আমতলীতে পিভিএ ও এনএসএস-এর উদ্যোগে কৃষ্ণচূড়া গাছের চারা বিতরণ বন্ধ কারখানা মালিকদের সুখবর দিল প্রধানমন্ত্রী কামিল পাস করেও চাকরির অপেক্ষা নয়, ফাস্টফুড ব্যবসায় সফল শারমিন আমতলীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার জনতা ব্যাংক পিএলসি নান্দাইল রোড বাজার শাখা স্থানান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ : ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ তাড়াইল সদর ইউনিয়নে দুঃসময়ের সুহৃদ সাথী নূরে আলম সিদ্দিকী

ঘুষ দুর্নীতির গডফাদার উমেদার লোকমান এখন কোটিপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৫৯৬২ বার পঠিত

ঢাকা রেজিস্ট্রেশন কমপ্লেক্সের সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের উমেদার মো. লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

দলিল দাতা-গ্রহিতা ও দলিল লেখকদের জিম্মি করে প্রতিদিন অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।এছাড়াও ওমেদার লোকমান হোসেন সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সহকারী, পিওন ও নকল নবীশদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে জিম্মি করে রেখেছে। ফলে তার বিরুদ্ধে কেউ কোন টু শব্দ করার সাহস পাচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৪ সালে উমেদার মো. লোকমান হোসেন ঢাকা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ৬০ টাকা দৈনিক মুজুরিতে সাব রেজিস্ট্রারের বিভিন্ন ফরমাইশ ( আদেশ) পালনের জন্য চাকুরি নেন। লোকমান হোসেন উমেদারের চাকুরি পাওয়ার পর সে অত্র অফিসটি আস্তে আস্তে নিজের কজ্বাব নিয়ে নেয়।

শুরু হয় তার দাপট সে অত্র অফিসের সহকারী থেকে শুরু করে টিসি মোহরার, মোহরার, সবাইকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কর্তৃত্ব দেখাতে শুরু করে। মাত্র ৭-৮ বছর ৬০ টাকা মুজুরিতে চাকুরি করা উমেদার লোকমান হোসেন এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। অথচ ৭-৮ বছর আগে লোকমান হোসেন তার মায়ের সাথে ঢাকা রেজিস্ট্রেশন অফিসের পীছনে ভাতের হোটেল করতেন। লোকমান হোসেন তার মায়ের সাথে ঢাকা রেজিস্ট্রশন কমপ্লেক্স কর্মরত বিভিন্ন ব্যক্তিদের দুপুরের খাবারের জন্য ভাত পৌছে দিতো।

পরে সে জেলা রেজিস্ট্রার ও বিভিন্ন নেতাদের ম্যানেজ করে সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে লোকমান হোসেন উমেদারের চাকুরি নেয়।

তার কিছুদিন পরই ওমেদার লোকমান নানাভাবে জনহয়রানী করে দুর্নীতির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়া শুরু করে। বর্তমানে সে নিজেকে অনেক বড় অফিসার মনে করে । কারণ সে সহকারীর টেবিলের পাশে বসে দলিল চেক করার নামে দাতা-গ্রহীতাকে বিভিন্ন ধরনের খুটিনাটি ভুল দরে দাতা- গ্রহীতাদের জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ আদায় করে থাকে।

অথচ নিয়মানুযায়ী একজন উমেদারের কাজ হলে সাব রেজিস্ট্রারের বিভিন্ন আদেশ পালন করা । কিন্ত বাস্তবে তা হচ্ছে না, উমেদার লোকমান হোসেন নিয়মের বাহিরে গিয়ে সে দলিল চেক করে । আর সহকারী যার কাছ মূলত দলিল চেক করা সেই সহকারী পুতুলের মতো বসে থাকে। কারণ তাকে উমেদার লোকমান হোসেন দলিল চেক করতে দেন না।

তাই তিনি দলিল চেক করতে পারেন না বলে জানান। তাই সাধারন দলিল লেখক, জমি রেজিস্ট্রি করতে আসা দাতা-গ্রহীতাদের দাবী বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার এই অনিয়ম, জনহয়রানি সকল দুর্নীতির বিষয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নিবেন কি?

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..