সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মোরেলগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দোতলা বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষয়ক্ষতি ৩০ লক্ষাধিক টাকা মোরেলগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এমপি আব্দুল আলীমের ঢাকা কলেজস্থ নান্দাইল ছাত্র ঐক্য পরিষদের আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সাথে সাংবাদিকদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় মোরেলগঞ্জে অটো ভ্যান চুরি: অসহায় চালকের পাশে ড. কাজী মনিরের পরিবার রাত পোহালেই ঈদ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী “আবার ফিরে আসবে বলে “ আমতলীতে তরুণ প্রার্থী সোহাগকে ঘিরে ভোটারদের উচ্ছ্বাস, জনপ্রিয়তায় এগিয়ে নান্দাইলে পাঁচ শতাধিক নারী পুরুষের মাঝে যাকাতের কাপড় বিতরণ করলেন বিএনপির নেতা এনামুল কাদির ।

দেশব্যাপী আলোচিত আমতলীর সেই খাওয়ার ঘটনায় শোকজ নোটিশ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮০৬ বার পঠিত
সংগৃহীত ছবি

বরগুনার আমতলীতে দেশব্যাপী আলোচিত খাবার খাওয়ার ঘটনায় গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ও ৯ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মাহবুব কাজীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা বিএনপি। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জহিরুল ইসলাম মামুন ভিপি ও সদস্য সচিব তুহিন মৃধা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নোটিশ প্রদান করা হয়। আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ উপেক্ষা করে ঘটনার অন্তরালে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ও বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন দায়সারা শালিস বৈঠক করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ করেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আলী হোসেন।

জানা গেছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর গুলিশাখালী ন.ম.ম আমজাদিয়া আলিয়া মাদ্রাসার নবগঠিত কমিটির প্রথম সভা উপলক্ষে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ৫০ জন আমন্ত্রিত অতিথির জন্য দুপুরের খাবারের আয়োজন করে। কিন্তু দাওয়াত না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ইউনিয়ন শ্রমিক দল সভাপতি রিপন কাজী ও ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মাহবুব কাজীর নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন বিএনপি নেতাকর্মী মাদ্রাসায় প্রবেশ করে সব খাবার খেয়ে ও নষ্ট করে ফেলেন।

অধ্যক্ষ মাওলানা আলী হোসেন অভিযোগ করেন, কমিটি গঠনের আগে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক জসিম উদ্দিন তাকে সভাপতি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে সভাপতি না করায় প্রতিশোধ নিতে তিনি সহযোগীদের দিয়ে এ ঘটনা ঘটান। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রিপন কাজী খাবার খাওয়ার ছবিও পোস্ট করেন। বিষয়টি মুহূর্তেই ভাইরাল হলে ব্যাপক নিন্দা শুরু হয়।

ঘটনার ধামাচাপা দিতে গত বুধবার বিকেলে ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন ও ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফারুক আকন মাদ্রাসায় গিয়ে শালিস বৈঠক বসেন। তারা অধ্যক্ষকে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেও অধ্যক্ষ বৈঠক থেকে বের হয়ে আসেন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বলেন, মাদ্রাসার সভাপতি মো. ফজলুল হকের অনুরোধে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

আমতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব তুহিন মৃধা বলেন, “মাহবুব কাজী মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছেন। এজন্য তাকে শোকজ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..