সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উপজেলা স্টুডেন্টস’ ফোরামের ইফতারে মির্জাগঞ্জবাসীর মিলনমেলা ফিলিং স্টেশনে পুলিশ চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি ওসমান হাদি হত্যায় প্রধান আসামি ফয়সালসহ গ্রেফতার ২ নান্দাইলে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত তথ্য প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে আগুনে বসতবাড়ি পুঁড়ে যাওয়া পরিবারকে সহায়তা খালেদা জিয়ার মরণোত্তর পুরস্কার নিলেন নাতনি জাইমা রহমান নারীরা এগিয়ে গেলে দেশও এগিয়ে যায়: জুবাইদা রহমান তাড়াইল কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে মোরেলগঞ্জে মিষ্টি ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা আমতলীতে নারীকে পিটিয়ে স্বর্ণের চেইন ছিনতাই, মামলা দায়ের

আমতলীতে পাচারকারীদের হাত থেকে বিলুপ্তপ্রায় ৬ মেছো বিড়াল উদ্ধার

আমতলী (বরগুনা) প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৭৬৯ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলায় পাচারকারীদের হাত থেকে বিলুপ্তপ্রায় ৬টি মেছো বিড়াল (ফিশিং ক্যাট) উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া বন্যপ্রাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রাপ্তবয়স্ক এক জোড়া মেছো বিড়াল ও চারটি ছানা। পরে সেগুলোকে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিবেশবাদী ও বনকর্মী টি এম রেদওয়ান বায়েজীদ জানতে পারেন যে, একটি পাচারকারী চক্র তালতলী উপজেলার টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকা থেকে ফাঁদ পেতে ৬টি মেছো বিড়াল ধরে আমতলীর মানিকঝুড়ি বাসস্ট্যান্ড হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাচারের চেষ্টা করছে। খবর পেয়ে টি এম রেদওয়ান বায়েজীদ ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে খাঁচাবন্দি অবস্থায় প্রাপ্তবয়স্ক এক জোড়া মেছো বিড়াল ও চারটি ছানা উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার অভিযানের সময় পাচারকারী চক্রের কয়েকজন সদস্য টি এম রেদওয়ান বায়েজীদের ওপর লাঠি দিয়ে হামলা চালায়। এ সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে জানা গেছে।

পরে আমতলীর রাসূলপুর স্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রাকৃতিক বন ও জলাভূমি এলাকায় স্থানীয়দের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা মেছো বিড়ালগুলো অবমুক্ত করা হয়।

উপকূলীয় বন বিভাগ পটুয়াখালীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ড. মো. জাহিদুর রহমান মিয়া বলেন, মেছো বিড়াল একটি বিপন্ন বন্যপ্রাণী, যা সাধারণত নদী, খাল, বিল ও জলাভূমি এলাকায় বসবাস করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ প্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অবৈধ শিকার ও হত্যার কারণে প্রজাতিটি বর্তমানে হুমকির মুখে রয়েছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী বন্যপ্রাণী শিকার, আটক বা পাচার দণ্ডনীয় অপরাধ।

পরিবেশবিদ টি এম রেদওয়ান বায়েজীদ বলেন, বন ও বন্যপ্রাণী আমাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সহাবস্থান নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচার রোধে অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..