বরগুনার তালতলী উপজেলায় সাবেক ইউপি সদস্য ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আমিনুল ইসলাম লিটন মোল্লা (৫০) এবং তার ভাতিজা শহীন মোল্লা (৩৪) দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর জখম হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার গাবতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্বজনরা উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছোটবগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আমিনুল ইসলাম লিটন একটি বাড়িতে শালিস বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় শালিসে বক্তব্য দেওয়া নিয়ে ইমন মোল্লার সঙ্গে হেলাল আকন ও তার ভাই ফারুক আকনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ইমনকে মারধর করা হলে শালিস ভেঙে যায়।
অভিযোগ রয়েছে, এর কিছুক্ষণ পর হেলাল আকন, শহীদুল আকন ও ফারুক আকনের নেতৃত্বে ২০–২৫ জনের একটি দল গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি দোকানে বসে থাকা লিটন মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। চাচাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে ভাতিজা শহীন মোল্লাকেও মারধর করা হয়।
ধারালো অস্ত্রের আঘাতে লিটন মোল্লার মাথা ও ডান হাত এবং শহীন মোল্লার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়েছে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
আহত লিটন মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। আমি ছোটবগী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কাজ করছি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা ঘটিয়েছে।
তবে অভিযুক্ত হেলাল আকন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ঘটনাস্থলে অনেক লোক উপস্থিত ছিল, আমি কাউকে মারধর করিনি।
এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আসাদুল রহমান বলেন, বিষয়টি জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।