পল্লী বিদ্যুতের বকেয়া আদায়ে জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমের ভুমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । কারণ বিদ্যুৎ জাতীয় সম্পদ। এর অপচয় রোধ ও নির্দিষ্ট তারিখে মধ্যে বিল পরিশোধ প্রতিটি গ্রাহকের নৈতিক দায়িত্ব । তিনি আরও বলেন, নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে বিল পরিশোধ করলে রাষ্ট্র যেমন উপকৃত হয় তেমনি গ্রাহক ও অর্থনৈতিক বাড়তি চাপ থেকে মুক্তি পায় এতে উভয়ই লাভবান হয়।
গতকাল কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার ( জি এম) মোহাম্মদ আবু রায়হান একান্ত সাক্ষাৎকারে এই প্রতিবেদককে এসব কথা বলেন। জানতে চাইলে কোন কোন জোনাল অফিসে কী পরিমাণ বকেয়া রয়েছে নান্দাইল জোনাল অফিসে ১২ কোটি ২৩ লাখ ও ৭৯ হাজার ২৬ টাকা ও কানুরামপুর সাব জোনাল অফিসে ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৪১ হাজার ৬ শ ৩১ টাকা।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা গ্রাহকদের শতভাগ বিদ্যুৎ সেবা দিতে বদ্ধপরিকর এবং আমাদের অফিস থেকে মাঠ পর্যায়ে কর্মীরা সর্বদা চেষ্টা করে গ্রাহক সেবা দিতে। কিন্তু অনেক গ্রাহক মাসের পর মাস বকেয়া ফেলে রাখে মোটা অংকের টাকা জমিয়ে ফেলে। এতে এক সংগে এত টাকা দিতে গড়িমসি করে। কিন্তু প্রতিমাসে আমরা টাকা আদায়ের জন্য আমাদের কর্মীরা তাগিদ দিলেও তা বাস্তবায়ন করেনা। এইজন্য জনসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমের ভুমিকা অত্যন্ত অপরিহার্য। মিডিয়ার কর্মীরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে। যারা সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসাবে সমাজ ও রাস্ট্র গঠনে প্রধান নিয়ামক। এই সমাজ যদি একটু ভুমিকা রাখে তাহলে জনসচেতনতা তৈরি হবে এবং বকেয়া পরিশোধের পথ ত্বরান্বিত হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবু রায়হান আরও বলেন, আমরা চাই গ্রাহকদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে । সমাজে যারা সাংবাদিকদের মতো সুশীল সমাজের ব্যক্তি রয়েছেন তাদের ও জাতীয় সম্পদ বিদ্যুত রক্ষায় দায়িত্ব রয়েছে। সমাজ পতি ও জন প্রতিনিধিরা যদি প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় ভুমিকা রাখেন তাহলে এটা পল্লী বিদ্যুতের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে।
আজ সরকার প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় বিদ্যুতের কানেক্টিভিটি বাড়ানো জন্য গুরুত্ব আরোপ করে যাচ্ছে এবং সিংহভাগ এলাকায় বিদ্যুতের আওতায় এসেছে। এতে সরকারের পাশাপাশি প্রতিটি সচেতন নাগরিকের ভুমিকা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।