রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বেতাগী মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় বৈদ্যুতিক মিটারে শর্টসার্কিট : আতঙ্কে আহত ১৫ শিক্ষার্থী জামালপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সান্তাহার বাফার গুদামে ময়লা-আবর্জনাসহ সার রিব্যাগিং, সরবরাহে ওজনেও কম হোসেনপুরে সাংবাদিক প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি ওলামা দলের কেন্দ্রীয় সদস্য মাওঃ শামীম আহমেদকে বহিষ্কার করে অবগতির নোটিশ জারি মোরেলগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাতরোগে কর্মক্ষমতা হারাচ্ছেন বহু মানুষ, চিকিৎসা খরচে নিঃস্ব পরিবার ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে বাড়ির আঙিনায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিনমজুর থেকে মাদক-ডাকাতির আসামি, দুই ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার বাশার তাড়াইলে আছিয়া খাতুন মাদরাসায় পুরস্কার বিতরণ, দোয়া মাহফিল ও অভিভাবক সম্মেলন

সব শিশুর মাঝে আজও আমি রাসেলকে খুঁজে ফিরি : প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২২
  • ৬০২১ বার পঠিত
ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শেখ রাসেল আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আছে তার পবিত্র স্মৃতি। বাংলাদেশে সকল শিশুর মধ্যে আজও আমি রাসেলকে খুঁজে ফিরি। এ শিশুদের রাসেলের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। এমন এক উজ্জ্বল শিশুর সত্তা বুকে ধারণ করে বাংলাদেশের শিশুরা বড় হোক। খুনিদের বিরুদ্ধে তারা তীব্র ঘৃণা বর্ষণ করুক।

আগামীকাল ‘শেখ রাসেলের শুভ জন্মদিন’ ও ‘শেখ রাসেল দিবস’ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উপলক্ষে শিশু রাসেলের জীবন সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের কাছে তুলে ধরতে প্রতি বছর তার জন্মদিনকে ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্বিতীয়-বারের মতো পালিতব্য ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২২’র নির্ধারিত প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল নির্মলতার প্রতীক, দুরন্ত প্রাণবন্ত নির্ভীক’ যথার্থ হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী মনে করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের বাসায় জন্মগ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অত্যন্ত প্রিয় লেখক ছিলেন খ্যাতনামা দার্শনিক ও নোবেলজয়ী বার্ট্রান্ড রাসেল। জাতির পিতা বার্ট্রান্ড রাসেলের বই পড়ে বঙ্গমাতাকে ব্যাখ্যা করে শোনাতেন। তাই বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গমাতা দু’জনে মিলে শখ করে, তাদের আদরের ছোট ছেলের নাম রেখেছিলেন ‘রাসেল’। রাসেল নামটি শুনলেই প্রথমে যে ছবিটি সামনে আসে, তা হলো, প্রাণচঞ্চল এক ছোট্ট শিশুর দুরন্তপনা, যে শিশুর চোখগুলো হাসি-আনন্দে ভরপুর। মাথা ভর্তি অগোছালো চুলের সুন্দর একটি মুখাবয়ব, যে মুখাবয়ব ভালোবাসা ও মায়ায় মাখা।

শেখ হাসিনা বলেন, কোমলমতি শিশু রাসেলকে আমরা হারিয়েছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ইতিহাসের এক নির্মম, জঘন্য ও বিভীষিকাময় রাতে। স্বাধীনতাবিরোধী, ষড়যন্ত্রকারী ও বিশ্বাসঘাতকদের হাতে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের ১৮ জন সদস্য শহীদ হন ওই কালরাতে। সেদিন ছোট্ট শিশু রাসেলও খুনিদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। রাসেল তো বাঁচতে চেয়েছিল। বাঁচার জন্য ঘাতকদের কাছে আকুতি জানিয়েছিল, মায়ের কাছে যাওয়ার কথা বলেছিল। মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ঘাতকরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘বিভীষিকাময় সেই রাতের প্রতিটি ক্ষণ, প্রতিটি মুহূর্ত এখনও গভীর শোকের সঙ্গে স্মরণ করি। এখনও ভাবি, কারো বিরুদ্ধে শত্রুতা থাকতেই পারে, কিন্তু সেই ক্ষোভ একজন কোমলমতি শিশুকে কেন কেড়ে নেবে? এই শিশু কী দোষ করেছিল? সে তো কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। সে কেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অংশ হবে? এতসব স্মৃতি স্মরণ করতে কষ্ট হয়। চোখ ভিজে ওঠে, বুকে পাথর বেঁধে সেইসব স্মৃতির সাগরে ডুব দেই।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..