মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বরগুনায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতার আহ্বান তালতলীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস কৃষি বিভাগের নান্দাইলে সুরাশ্রম দাখিল মাদ্রাসা নবগঠিত এডহক কমিটির সংর্ধ্বনা বেতাগীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম অবহিতকরণ ও প্রেস কনফারেন্স আদমদীঘিতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা আদমদীঘিতে গর্ভকালীন সেবা কার্ড প্রদানে ২০০ করে ঘুষ নেয়ায় তোলপাড় তালতলীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস উপপরিচালকের আদমদীঘিতে বিএনপির কারা-নির্যাতিত ১৯ নেতাকর্মীকে সংবর্ধনা আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, নোটিশ না দেওয়ার অভিযোগ ব্যবসায়ীদের অসহায় মানুষের পাশে উত্তর তক্তাবুনিয়া আদর্শ যুব কল্যাণ সংস্থা, চিকিৎসা সহায়তা পেলেন দুই নারী

গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

রংপুর ব্যুরো:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৯৩১ বার পঠিত
গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন.............ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভ্যান চুরির অপবাদে গণপিটুনিতে নিহত রূপলাল রবিদাস ও প্রদীপ রবিদাসকে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন হয়েছে।

১৬ আগস্ট শনিবার দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ দলিত পরিষদের আয়োজনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে নিহতদের স্বজনেরা বলেন, রূপলাল রবিদাস ও প্রদীপ রবিদাসকে প্রকাশ্যে অমানবিক নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। হত্যাকারীদের ভিডিওতে দেখা গেলেও পুলিশ তাদের ধরতে বিলম্ব করায় তারা পালিয়েছে। মানববন্ধনে শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু ও দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের হামলা ও নির্যাতন শিকার এবং মিথ্যা অপবাদে গণপিটুনিতে প্রাণ হারাচ্ছে। সরকারকে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং দলিতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে বাংলাদেশ দলিত পরিষদের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন অংশ নিয়ে নিহত প্রদীপ রবিদাসের মেয়ে পলাশী রানী বলেন, আমার বাবা যদি সন্ত্রাসী হতো, তা হলে তারা পুলিশের হাতে কেন দিল না? বাবার সঙ্গে আইডি কার্ড সব সময় থাকত। তারা তো জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারত। কেন তারা আমার বাবাকে হত্যা করল? এখন আমাদের কী হবে? আমার বাবা, দাদাকে যারা হত্যা করেছে, আমরা তাদের ফাঁসি চাই। প্রদীপ রবিদাসের ছেলে আপন রবিদাস বলেন, আমার বাবা প্রতিবন্ধী। নিজে চলতে পারে না। আমার বাবার একটাই ভ্যান। সেই ভ্যান নিয়ে দাদুর বাসায় গেছিল। সে কীভাবে চুরি করবে?

হত্যাকারীদের আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। নিহত রূপলাল রবিদাস ও প্রদীপ রবিদাসের পরিবার বলেন, তাঁরা কখনো চুরি বা অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলেন না। শুধু অপবাদ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাঁদের হত্যা করা হয়েছে। দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হলে দলিত সম্প্রদায়ের ওপর এ রকম হামলা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..