বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিল্পখাতে স্বস্তি ফিরছে, বেড়েছে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি বক্তব্যের চেয়ে বড় একজন রাজনীতিকের পুরো পথচলা তাড়াইলে জাতীয় ছাত্র শক্তির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মানবতাবিরোধী মামলায় কাদের-নাসিমসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বেতাগীতে পৃথক ঘটনায় গৃহবধূ ও যুবকের মৃত্যু কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী মির্জাগঞ্জে মাছের ঘের থেকে ১০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন গ্রেফতার, মামলা দায়ের দেশে আরো একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ২০২৪ সালে পরিদর্শন কর্মকর্তার মন্তব্যের পরও ২০২৫–২৬ সালের হাজিরা নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে থুতু নিক্ষেপ

গাইবান্ধায় দু’পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

রংপুর ব্যুরো:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫৯৩৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর সরকারি কলেজ রোডে আবু হোসেন সুপার মার্কেট এলাকায় গত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রেখেছিল দুই গ্রুপ। সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা হাতে সড়কে অবস্থান নিয়ে মার্কেটের গেট ভেঙে হামলার চেষ্টা চালানো হয়।

এসময় আতঙ্কে মার্কেট ও আশপাশের দোকান বন্ধ হয়ে যায়, থেমে যায় যান চলাচল। প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা করেও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সেনাবাহিনী এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার তরফবাজিত গ্রামের গনি মিয়া ও বুজরুক পাঠানোছা গ্রামের তুলিপের কাছে কয়েক লক্ষ টাকা গ্রহণ করেনহামিন্দপুর গ্রামের দুলা মিয়া। পরে সেই টাকা তিনি গাইবান্ধায় বাড়ি, বর্তমানে লালবাজারে শ্বশুরবাড়িতে থাকেন মঞ্জু নামে এক ব্যক্তির কাছে দেন। এ নিয়ে গনি ও তুলিপের সঙ্গে দুলা-মঞ্জু পক্ষের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল।

সম্প্রতি স্থানীয় ধলু ও কাজল নামে দুই ব্যক্তি মঞ্জুর পক্ষে হয়ে পাওনা টাকা পরিশোধে আলোচনায় বসেন, তবে সমাধান হয়নি। গত শুক্রবার বিকালে আবু হোসেন সুপার মার্কেটে পুনরায় আলোচনায় বসলে বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে ব্যবসায়ী লাভলু মিয়া ও তার ছোট ভাই নাজমুলের সঙ্গে গনি-তুলিপের হাতাহাতি হয়। সংবাদ পেয়ে উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হলে উত্তেজনা চরমে উঠে। সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাজ উদ্দীন খন্দকার বলেন, সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও প্রশাসনের কড়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে দ্বন্দ্ব-সংঘাত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..