রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মোরেলগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এমপি আব্দুল আলীমের ঢাকা কলেজস্থ নান্দাইল ছাত্র ঐক্য পরিষদের আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সাথে সাংবাদিকদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় মোরেলগঞ্জে অটো ভ্যান চুরি: অসহায় চালকের পাশে ড. কাজী মনিরের পরিবার রাত পোহালেই ঈদ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী “আবার ফিরে আসবে বলে “ আমতলীতে তরুণ প্রার্থী সোহাগকে ঘিরে ভোটারদের উচ্ছ্বাস, জনপ্রিয়তায় এগিয়ে নান্দাইলে পাঁচ শতাধিক নারী পুরুষের মাঝে যাকাতের কাপড় বিতরণ করলেন বিএনপির নেতা এনামুল কাদির । নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে পুরুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০৯ ব্যাচের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

তাড়াইলে অনলাইন জুয়াকে কেন্দ্র করে একজন নিহত

আব্দুল্লাহ আল মামুন, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮৩৬ বার পঠিত
তাড়াইলে অনলাইন জুয়াকে কেন্দ্র করে একজন নিহত-------------------- ছবি: সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলায় অনলাইন জুয়া কে কেন্দ্র করে আল আমিন (২৮) নামে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত আল আমিন তাড়াইল উপজেলাধীন তালজাঙ্গা ইউনিয়নের আউজিয়া গ্রামের দেওয়ান আলীর ছেলে।

এলাকা সূত্রে জানা যায়, ২৬ সেপ্টেম্বর রাত অনুমান ৮ ঘটিকার সময় ক্রিকেট খেলার অনলাইন জুয়া খেলার নিষেধ দিতে গিয়ে জুয়ার এজেন্ট আলাল উদ্দিনের ছেলে শামিমের সাথে নিহত আল আমিনের কথা কাটাকাটি ও এক পর্যায়ে মারামারি হয়। মারামারিতে আল আমিনসহ আরো কয়েকজন গুরুত্বর আহত হলে তাদেরকে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাদেরকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন। নাইমুল ইসলাম নাইম সহ এলাকার কয়েকজন তাদেরকে কিশোরগঞ্জ নেওয়ার পথে উপজেলার তালজাঙ্গা বাজারে শামিম তার জুয়ারো গুন্ডাবাহিনী এরশাদ, ফরিদ, সোহেল, সর্ব পিতা- জসিম উদ্দিন ও বাদল গংদের নিয়ে মব সৃষ্টি করে আহতদের উপর পুনরায় অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারপিট করে আল আমিনসহ মিজান, পিতা- রতন, আঃ রউফ, পিতা- হাছেন আলী কে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেন । সেনাবাহিনী আহদের পুলিশ হেফাজতে দিলে আল আমিনের অবস্থা আশংকাজনক দেখে তাৎক্ষণিক কিশোরগঞ্জ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে আল আমিন চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

সরেজমিনে গিযে জানা যায়, আউজিয়া গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে শামিম বহু বছর থেকে অনলাইন ‍জুয়ার এজেন্ট এর ব্যবসা করে আসছে। সে এলাকার যুবক ছেলেদের জুয়ার জগতে আসক্ত করেছে। কিছুদিন পূর্বে শামিম সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে চাকুরী পেয়ে তার জুয়ার এজেন্টটি তারই চাচাতো ভাইকে দিয়ে যান এবং ইহার লাভের ভাগ সে গ্রহণ করে। ঘটনার ৪/৫ দিন পূর্বে শামিম সেনাবাহিনী থেকে ছুটিতে আসেন এবং পূর্বের মতো জুয়ার ব্যবসা দেখাশোনা শুরু করেন। ঘটনার দিন আল আমিন জুয়া খেলার জন্য নিষেধ করলে শামিম ক্ষিপ্ত হয়ে তার অন্যান্য জুয়ারী এজেন্দের সাথে নিয়ে আল আমিনকে মারপিট করে এবং সেখানে আল আমিনসহ আরো কয়েকজন আহত হন। এলাকাবাসী আহদের চিকিৎসার জন্য তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ রেফার্ড করেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নাইমুল ইসলাম নাইম বলেন, আমি তাহাদের কিশোরগঞ্জ নিয়ে যাওয়ার সময় শামিম তার দলবল নিয়ে তালজাঙ্গা বাজারে আক্রমন করে। আমি ভয়ে দূরে সরে যাই। শামিম গংরা আল আমিনসহ মিজান ও আঃ রউফকে মেরে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়। পরে সেনাবাহিনী তাহাদের তাড়াইল থানায় নিয়ে যায়। তখন আল আমিনের অবস্থা আশংকা জনক দেখে চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ নিয়ে গেলে আল আমিন সেখানে মারা যায়।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..