মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হিরু আর নেই সান্তাহারে পুলিশের ক্লিন অপারেশন: দুই নারী গ্রেফতার বেতাগীতে পল্লীবিদ্যুতের ভূতুড়ে ও অসঙ্গতিপূর্ণ বিলে গ্রাহকদের মাঝে ক্ষোভ ও অসন্তোষ হরিরামপুরে জমি বিরোধে বোনকে মারধর, হোটেলে ভাঙচুরের অভিযোগ ভাই-ভাবির বিরুদ্ধে নান্দাইল উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে টিকিয়ে রাখা রাষ্ট্র, সমাজ ও মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব : তথ্যমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে প্রবাসীর বাড়িতে চুরির অভিযোগ আদমদীঘি উপজেলায় ইউএনও মাসুমা বেগম প্রশংসায় ভাসছেন ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৫৮ বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি

তালতলীতে পুলিশের এসআইর বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮২৪ বার পঠিত
বরগুনার তালতলী থানা.......................ছবি সংগৃহীত

বরগুনার তালতলী থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) অসীম চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের নামে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ অভিযোগ করেছেন উপজেলার তাতীপাড়া গ্রামের মো. চুন্নু মৃধা। তিনি রবিবার বিকেলে সাংবাদিকদের জানান, সুবিচার পেতে তিনি বরগুনা জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

চুন্নু মৃধা বলেন, “এসআই অসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ায় এখন আমি বিপাকে পড়েছি। তিনি আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছেন।”

জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ পূর্বশত্রুতার জেরে তালতলীর তাতীপাড়ায় রিপন মৃধাকে মারধর করে স্থানীয় প্রভাবশালী মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগীরা। এতে রিপন গুরুতর আহত হয়ে ঢাকায় তিন মাস চিকিৎসা নেন, ব্যয় হয় প্রায় ১০ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় আহত রিপনের বাবা আনোয়ার মৃধা বাদী হয়ে আল আমিনকে প্রধান আসামি করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে তালতলী থানা মামলা হিসেবে গ্রহণ করে এবং তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই সুশান্তকে।

কিন্তু ঘটনার ২২ দিন পর আসামি মাসুম বিল্লাহ পাল্টা মামলা করেন আহত রিপনের আত্মীয় হৃদয় হাওলাদারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশে এ মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই অসিম চন্দ্র দাস।

চুন্নু মৃধার অভিযোগ, তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে এসআই অসিম আমাদের নানাভাবে হয়রানি শুরু করেন। তিনি সঠিক চার্জশিট দিতে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে মিথ্যা চার্জশিট দেবেন বলে হুমকি দেন। আমি বাধ্য হয়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা দিই। কিন্তু তবুও তিনি ৩১ জুলাই মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে চার্জশিট দেন।

তিনি আরও জানান, এসআই অসিমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর এখন তিনি আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে এসআই অসিম চন্দ্র দাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন সিকদার বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..