মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দেশে আরো একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে ২০২৪ সালে পরিদর্শন কর্মকর্তার মন্তব্যের পরও ২০২৫–২৬ সালের হাজিরা নিয়ে অসঙ্গতির অভিযোগ ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে থুতু নিক্ষেপ ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড একই অভিযোগে বারবার জরিমানা, তবুও বদলায়নি রহমানিয়া পাম্প ঢাকায় হচ্ছে আরেকটি মেট্রোরেল, একনেকে উঠছে প্রকল্প স্থানীয় সরকার নির্বাচন ১২ নভেম্বর শুরু: ইসি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মঙ্গলবার রাত থেকে আগের অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী নান্দাইলে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবার মান বাড়াতে আন্তঃসংলাপ সান্তাহারে প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ সদস্যের অনৈতিক কর্মকাণ্ড

তালতলীতে পুলিশের এসআইর বিরুদ্ধে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮৩৯ বার পঠিত
বরগুনার তালতলী থানা.......................ছবি সংগৃহীত

বরগুনার তালতলী থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) অসীম চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের নামে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ অভিযোগ করেছেন উপজেলার তাতীপাড়া গ্রামের মো. চুন্নু মৃধা। তিনি রবিবার বিকেলে সাংবাদিকদের জানান, সুবিচার পেতে তিনি বরগুনা জেলা পুলিশ সুপারসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

চুন্নু মৃধা বলেন, “এসআই অসিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেওয়ায় এখন আমি বিপাকে পড়েছি। তিনি আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছেন।”

জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ পূর্বশত্রুতার জেরে তালতলীর তাতীপাড়ায় রিপন মৃধাকে মারধর করে স্থানীয় প্রভাবশালী মাসুম বিল্লাহ ও তার সহযোগীরা। এতে রিপন গুরুতর আহত হয়ে ঢাকায় তিন মাস চিকিৎসা নেন, ব্যয় হয় প্রায় ১০ লাখ টাকা।

এ ঘটনায় আহত রিপনের বাবা আনোয়ার মৃধা বাদী হয়ে আল আমিনকে প্রধান আসামি করে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে তালতলী থানা মামলা হিসেবে গ্রহণ করে এবং তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই সুশান্তকে।

কিন্তু ঘটনার ২২ দিন পর আসামি মাসুম বিল্লাহ পাল্টা মামলা করেন আহত রিপনের আত্মীয় হৃদয় হাওলাদারসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশে এ মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই অসিম চন্দ্র দাস।

চুন্নু মৃধার অভিযোগ, তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে এসআই অসিম আমাদের নানাভাবে হয়রানি শুরু করেন। তিনি সঠিক চার্জশিট দিতে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে মিথ্যা চার্জশিট দেবেন বলে হুমকি দেন। আমি বাধ্য হয়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা দিই। কিন্তু তবুও তিনি ৩১ জুলাই মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে চার্জশিট দেন।

তিনি আরও জানান, এসআই অসিমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর এখন তিনি আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে এসআই অসিম চন্দ্র দাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

বরগুনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আল মামুন সিকদার বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..