শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন

বিএডিসি কর্মকর্তার আলুবীজ দুর্নীতি, তদন্ত কমিটি গঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮৮৯ বার পঠিত

১২ অক্টোবর-২৪ জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় “আলুবীজ নিয়ে বিএডিসি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চাষীদের অভিযোগ” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) আলুবীজ বিভাগ। গত ২৯ অক্টোবর কৃষিভবন ঢাকার অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (আলুবীজ) এ.কে.এম নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিএডিসি রাজশাহীর যুগ্মপরিচালক (বীজ) মো. ফজলে রব ও উপপরিচালক (বীজ) কে.এম গোলাম সরওয়ারকে দুর্নীতির বিষয়গুলো ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, রাজশাহী বিএডিসির আলুবীজ বিভাগ ও ঐ দপ্তরের নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগ করে আসছিলেন আঞ্চলিক আলু চাষিরা। এরই প্রেক্ষিতে গত ২০ অক্টোবর-২৪ বিএডিসি আলুবীজ চুক্তিবদ্ধ কৃষক ফোরাম রাজশাহীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও তানোর, নোনাপুকুর ব্লক লিডার হাসিবুর রহমান রাজশাহীর উপসহকারী পরিচালক (বীজ) আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে বিএডিসির চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের মধ্যে ছিল, চাষীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও পুলিশ দিয়ে হয়রানি, চাষীদের কাজের টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাৎ, ৫০ কেজির বস্তায় চাষীদের কাছ থেকে ৫৩.৫ কেজি আলু নেয়া, কাজের টাকা ও বস্তায় অতিরিক্ত সাড়ে তিন কেজি আলু বাবদ মোট ৬৬ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, রাজশাহী জেলার বীজ অন্য জেলায় পাঠানো, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ব্লক লিডারদের বাদ দিয়ে শেয়ারে অন্য নতুন জমি দিয়ে ব্লক করানো এবং পছন্দের ব্যক্তিদের ব্লক দেয়া, চুক্তিবদ্ধ চাষীদের মতামতের গুরুত্ব না দেয়া ইত্যাদি।

তদন্তের বিষয়টি ভুক্তভোগী চাষিদের আশা জাগালেও কেউ কেউ মনে করছেন তদন্ত হিমঘরে পড়ে থাকবে অথবা পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে। কেন না যে দপ্তর নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত, সেই দপ্তরেরই কর্মকর্তাদের দেয়া হয়েছে তদন্তভার। জানা যায়, তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিচালক (বীজ) কে.এম গোলাম সরওয়ার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গত ২৯ সেপ্টেম্বর-২৪ পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন।

বিষয়টি জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিচালক (বীজ) কে.এম গোলাম সরওয়ার বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মূলত আমাদের যুগ্মপরিচালক ফজলে রব স্যারের তত্ত্বাবধানে তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে। যে দপ্তর নিয়ে তদন্ত আপনি সেই দপ্তরেরই দায়িত্বে ছিলেন ২৯ সেপ্টেম্বর-২৪ পর্যন্ত, তাহলে তদন্ত প্রশ্নবিদ্ধ হবে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ঢাকা থেকে হয়ে এসেছে, এতে আমার কিছু করার নাই। তবে মূল দায়িত্ব পালন করবেন ফজলে রব স্যার, আমি তাকে শুধু সহযোগিতা করব।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..