সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মোরেলগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দোতলা বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষয়ক্ষতি ৩০ লক্ষাধিক টাকা মোরেলগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা এমপি আব্দুল আলীমের ঢাকা কলেজস্থ নান্দাইল ছাত্র ঐক্য পরিষদের আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীর সাথে সাংবাদিকদের ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় মোরেলগঞ্জে অটো ভ্যান চুরি: অসহায় চালকের পাশে ড. কাজী মনিরের পরিবার রাত পোহালেই ঈদ দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী “আবার ফিরে আসবে বলে “ আমতলীতে তরুণ প্রার্থী সোহাগকে ঘিরে ভোটারদের উচ্ছ্বাস, জনপ্রিয়তায় এগিয়ে নান্দাইলে পাঁচ শতাধিক নারী পুরুষের মাঝে যাকাতের কাপড় বিতরণ করলেন বিএনপির নেতা এনামুল কাদির ।

ভিক্ষে করে চলা বিধবা মোমেনার শেষ সম্বলও আগুনে পুড়ে ছাই, খোলা আকাশের নিচে পরিবার।

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৭৬৪ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

এক মুহূর্তের আগুনে পুড়ে গেছে শেষ সম্বল। ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে কোনোভাবে সংসার চালানো বিধবা মোমেনা বেগম এখন খোলা আকাশের নিচে অসহায়ভাবে দিন কাটাচ্ছেন। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে তার একমাত্র বসতঘর, সঙ্গে ঘরের সব আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।

ঘটনাটি ঘটেছে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ২নং পঞ্চকরণ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের দেবরাজ গ্রামে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোসা. মোমেনা বেগমের স্বামী কামাল কয়েক বছর আগে মারা যান। এরপর থেকে তিনি ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে কোনোমতে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। দারিদ্র্যের মধ্যেই চলছিল তার জীবনসংগ্রাম। এরই মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং মোমেনা বেগমের বসতঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ খলিলুর রহমান জানান, পাশাপাশি দুটি ঘরে তিনটি পরিবার বসবাস করত। এর মধ্যে মোমেনা বেগম ও জেসমিনের দুটি ঘর পাশাপাশি ছিল। আগুনের ঘটনায় দুটি পরিবারের প্রায় ৬ জন সদস্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে তাদের থাকার মতো কোনো নিরাপদ আশ্রয় নেই।

অগ্নিকাণ্ডে ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, চাল-ডালসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু পুড়ে যাওয়ায় পরিবারগুলো এখন চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে স্বামীহারা মোমেনা বেগমের পরিবারটি সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মোমেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “ভিক্ষা করে যা পেতাম তা দিয়েই কোনোভাবে সংসার চলত। আগুনে আমার সবকিছু পুড়ে গেছে। এখন মাথা গোঁজার মতোও কোনো ঠাঁই নেই।”

স্থানীয়দের মতে, পবিত্র রমজান মাসে সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে অসহায় এই পরিবারটি নতুন করে ঘর নির্মাণ করে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।

সহায়তা করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা মোমেনা বেগমের মোবাইল নম্বর ০১৯১৯৬৭৪৮০৩-এ যোগাযোগ করতে পারেন বলে জানা গেছে।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..