শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তাড়াইলে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ঝিটকা খাজা রহমত আলী কলেজে ফল বিপর্যয়, ফেল ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী আমতলীতে আগুনে পুড়ল দুই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, ক্ষতি ২৫ লাখ টাকা মোরেলগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে আইডিয়াল জেনারেল হাসপাতালের উদ্বোধন মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস এইচএসসিতে পাশ করা সবাই উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাশের হার ৫২.১২ শতাংশ ‎বাড্ডা থানার এসআই হানিফের বিরুদ্ধে গভীর রাতে যুবতী নারীর বাসায় অনধিকার প্রবেশ, ভাঙচুর ও লুণ্ঠনের অভিযোগ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন শুরুর অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি

মোরেলগঞ্জে বেতকাশি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে শিক্ষা অফিস

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫৭৫৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বেতকাশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান তালুকদারের বিরুদ্ধে ওঠা অনিয়ম-দুর্নীতি, শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা বিচারে সরেজমিন তদন্ত করেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একটি তদন্তকারী দল।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তিন সদস্যের তদন্তকারী দল বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেন।

তদন্তকারী দলের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আক্তারুজ্জামান। এ সময় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম এবং মোরেলগঞ্জ টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইউনুস আলী আকন উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের জানান, উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানায়।

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগে বিদ্যালয়ের সরকারি বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় না করা, আয়-ব্যয়ের হিসাব, এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের ফি ও বিদ্যুৎ বিলের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিদ্যালয়ের অনুকূলে সরকারিভাবে পাঁচ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৫ জন অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীর জন্য জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ওই অর্থ সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছায়নি। তদন্ত চলাকালে তিন বছর আগে ওই অর্থ পাওয়ার কথা থাকা ১৫ জন শিক্ষার্থীর নাম জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নাম উল্লেখ করতে পারেননি বলেও অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান তালুকদার। তিনি বলেন, “১৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য বরাদ্দকৃত টাকা সুষমভাবে বিতরণ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের নামে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত পাঁচ লাখ টাকার সব বিল-ভাউচার তদন্তকারী দলের কাছে সাত দিনের মধ্যে জমা দেব।”

এদিকে স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দারা বলছেন, তদন্ত যেন নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্তভাবে সম্পন্ন হয়। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিও জানান তারা।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..