মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তাড়াইলে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই ডকুমেন্টারি প্রদর্শন কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে সহায়তা বিতরণ মোরেলগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান, পরোয়ানাভুক্ত ও মাদক মামলার ১০ আসামি গ্রেপ্তার ৫ পরীক্ষার্থীর জন্য ৬ শিক্ষক, পাস করল মাত্র ১ জন মাদকের আখড়ায় প্রশাসনের হানা, মোরেলগঞ্জে নারীসহ ৪ জনের কারাদণ্ড বেতাগীতে শিক্ষার্থীদের সাইবার নিরাপত্তায় সচেতনতামূলক সভা চুপ্পুর বিরুদ্ধে ৫শ’ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ মোরেলগঞ্জে মেয়রপ্রার্থী আসাদুজ্জামান মিলনের পক্ষে কর্মী-সমর্থকদের ঢল, বিশাল শোভাযাত্রা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ সৌদিতে সোফা কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ১৬ বাংলাদেশি নিহত

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ৭ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৮৪৩ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক

রায় জালিয়াতির অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার (৩০ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্যাহর আদালত এ আদেশ দেন।

এদিন সকালে এবিএম খায়রুল হককে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক খালেক মিয়া। রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন পক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর। শুনানি শেষে বিচারক সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

‘দুর্নীতি ও বিদ্বেষমূলকভাবে’ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে বেআইনি রায় প্রদান এবং জাল রায় তৈরি করার অভিযোগ সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে। এ অভিযোগে গত বছর ২৭ অগাস্ট শাহবাগ থানায় মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন।

এর আগে ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে বেআইনি রায় প্রদান ও জাল রায় তৈরির অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের আরেকটি মামলায়ও খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নিয়োগ পান খায়রুল হক। একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়। পরের বছরের ১৭ মে তিনি অবসরে যান।

আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে তিনি আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর, ১৩ আগস্ট তিনি আইন কমিশনের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর গ্রেফতারের পুর্ব পর্যন্ত আর তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..