মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আদালতের রেকর্ড কিপারের বিরুদ্ধে প্রতিবেশীকে হয়রানি ও জমি দখলের অভিযোগ মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঝাড়ু মিছিলের পর দল থেকেও ঝাড়ু: বহিষ্কার যুবদল নেতা শাহিন আদমদীঘিতে প্রধান শিক্ষকের অশ্রুসিক্ত বিদায় সংবর্ধনা সান্তাহারে ২১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২১০টি বৃক্ষের চারা বিতরণ মোরেলগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ মির্জাগঞ্জে শালিস নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ মোরেলগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপে নিয়োগে দলীয়করণের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত এআই দিয়ে সাংবাদিকের ছবি অশ্লীল বিকৃতির অভিযোগ বেতাগীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জব্দ করা অবৈধ জাল ধ্বংস

নাটোরে নির্মাণ করেছেন ৫ তলা বাড়ি: মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিকীর পেটে উন্নয়ন প্রকল্পের ৫০ কোটি টাকা!

মাগুরা প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ৫৮০৬ বার পঠিত
ছবি: সংগৃহীত

লিখে শেষ করা যাচ্ছে না মাগুরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিকীর অনিয়ম -দুর্নীতি। তিনি প্রকল্পের ডিজাইন নয়ছয় এবং নিন্মমানের পাইপ ও মটর স্থাপন করে দুটি বৃহত্তর প্রকল্প থেকে পকেট ঠিকাদারদের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন কমপক্ষে ৫০ কোটি টাকা। বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকার আমলে ২০২০ সালে মাগুরায় বদলী হয়ে এসে তিনি খুঁটি গেড়ে বসেছেন।

দীর্ঘ ৬ বছরেও তার বদলী হয়নি। বার বার তার বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে রিপোর্ট ছাপা হলেও চীফ ইন্জিনিয়ারের প্রধান কার্যালয় ও খুলনা তত্তাবধায়ক প্রকৌশলীর অফিসে মোটা টাকা ঘুস দিয়ে বদলী কার্যক্রম অচল করে রেখেছেন।

তিনি মাগুরা জেলার সকল প্রাইমারি বিদ্যালয়ে আধুনিক ল্যাট্রিন ও টিউবঅয়েল স্থাপন পরকল্পে শুভংকরের ফাঁকি দিয়ে সিংহভাগ টাকা লুটে নিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ল্যাট্রিনে ২৫ ইঞ্চি গাঁথুনির স্থলে দিয়েছেব ১৫ ইঞ্চি গাঁথুনি। এ ছাড়া টিউবঅয়েলে অতি নিন্মমানের পাইপ ব্যবহার করেছেন। ৬ ফুট জি আই পাইপ দেওয়ার কথা থাকলেও দিয়েছেন ২/৩ ফুট জিআই পাইপ। এই প্রকল্প প্রায় ২/৩ হাজার টিউবওয়েল ও ল্যাট্রিন নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতি প্যাকেজে ৩ টি ল্যাট্রিন স্থাপনের বাজেট ছিল ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা। আর এই প্রকল্পের কাজগুলো মাগুরার কোন ঠিকাদারকে না দিয়ে নিজ অফিসের কয়েকজন স্টাফ দিয়ে সম্পন্ন করে সিংহভাগ টাকা আত্মসাত করেছেন।
এভাবে মাগুরার টাকা লুটে নিয়ে তিনি পিতার দেশ নাটোরে ৫ তলা আলীশান বাড়ি নির্মাণ করেছেন। ঢাকায়ও ফ্ল্যাট ও প্লট কিনেছেন।

এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কার সিদ্দিকীর কাছে ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আপনি তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেন তবেই তথ্য পাবেন।

একজন সচেতন মাগুরাবাসী এই ২টি প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন। একই সাথে তিনি দুদকের তদন্ত চেয়ে প্রধান ও আঞ্চলিক কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..