বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কামিল পাস করেও চাকরির অপেক্ষা নয়, ফাস্টফুড ব্যবসায় সফল শারমিন আমতলীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার জনতা ব্যাংক পিএলসি নান্দাইল রোড বাজার শাখা স্থানান্তরের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ : ১০১ বিশিষ্ট নাগরিকের উদ্বেগ তাড়াইল সদর ইউনিয়নে দুঃসময়ের সুহৃদ সাথী নূরে আলম সিদ্দিকী বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম-পরিচালক মাহফুজ উল আলমের বিরুদ্ধে ঠিকাদারি ও কমিশন বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির উদ্যোগে অতিরিক্ত ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার বদলি আদেশ গায়েব করে এক যুগ ধরে সিএফ কার্যালয়ে হিসাবরক্ষক ইউছুপ: ৯ ডিভিশন থেকে মাসোহারা ও কোটি টাকার বদলি বাণিজ্যের চাঞ্চল্যকর তথ্য বিসিএসআইআর স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুলের দুর্নীতির প্রমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব তাকেই দিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৭৬০ বার পঠিত

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মইনুল ইসলামকে রক্ষা করার জন্য অভিনব কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। তার করা দুর্নীতির প্রমাণপত্রের সত্যতা যাচাই করার জন্য তাকেই নিযুক্ত করা হয়েছে। আর এই কাজটি করেছেন মইনুলের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির আহবায়ক গণপূর্ত উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে.এম. কামরুজ্জামান। অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মইনুল ইসলামের সাথে আঁতাতেই এই পদক্ষেপটি তিনি নিয়েছেন বলে জানা যায়।

গত মার্চ মাসের ১৫ তারিখে এই তদন্ত কমিটির কাছে মইনুলের দুর্নীতির ভিডিও প্রমাণ সরবরাহ করা হয়। সেই ভিডিও প্রমাণের সত্যতা তদন্ত কমিটি এখন পর্যন্ত স্বশরীরে যাচাই না করে অভিযুক্ত মইনুলকেই দায়িত্ব দিয়েছে ভিডিও প্রমাণের সত্যতা যাচাই করার। আর এই কাজটি করা হয়েছে যাতে মইনুল ভিডিওতে দেওয়া প্রমাণগুলোকে বিকৃত করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারে। শুধু তাই নয়, দুর্নীতির জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার একটা নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকলেও মইনুলের ক্ষেত্রে সেরকম নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। এরকারণ হচ্ছে মইনুলকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া যাতে সে তার দুর্নীতির প্রমাণগুলো মিটিয়ে ফেলতে পারে। আর নীতির বাহিরে এই সুযোগ দিচ্ছেন মইনুলের দুর্নীতির প্রশ্রয়দাতা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে.এম. কামরুজ্জামান।

কামরুজ্জামান গত মার্চের ১৫ তারিখে অভিযোগকারীর অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণাদি দাখিল ও বক্তব্য পেশ করার সময় ধার্য করে নিজেই অভিযোগকারীর মুখোমুখি হননি। বর্তমানে তিনি অভিযোগকারীর অভিযোগের স্বপক্ষে দাখিলকৃত ও উল্লেখিত দুর্নীতির প্রমাণাদি যাতে নষ্ট করা যায় সেটা নিয়ে সচেষ্ট আছেন।

এই বিষয়ে গত বুধবার গণপূর্ত উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে.এম. কামরুজ্জামানের বক্তব্য চাওয়া হলে তিনি জানান যে ‘মইনুলের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।’ মইনুলের দুর্নীতির ভিডিও প্রমাণের সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব মইনুলকেই দেওয়া হয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যে তিনি ভাত খাচ্ছেন। খেয়ে কল ব্যাক করছেন। কিন্তু তিনি পরে আর কল ব্যাক করেননি। তাকে পরে আবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য যে গণপূর্তের প্রকৌশলী মো: মইনুলের বিরুদ্ধে টেন্ডার বাণিজ্য, উচ্ছেদ ও অবৈধ দোকান বসিয়ে শত কোটি হাতিয়ে নেওয়াসহ দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিস্তর অভিযোগ জমা পরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মইনুলের দুর্নীতির তদন্ত করার জন্য গণপূর্ত উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে.এম. কামরুজ্জামানকে আহবায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..