বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আমতলী আদালতে জব্দ ১৪০ মামলার মাদকদ্রব্য ধ্বংস খেলাধুলার মাধ্যমে তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে হবে: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নেত্রকোনায় জিপিএ প্রাপ্ত ও পঞ্চম শ্রেণী বৃত্তিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা দিল জেলা সমবায় অফিস বিদ্যুতের বকেয়া আদায়ে গণমাধ্যমের ভুমিকা অপরিহার্য: জিএম মোহাম্মদ আবু রায়হান শিল্পখাতে স্বস্তি ফিরছে, বেড়েছে গ্যাস-বিদ্যুৎ সরবরাহ একটি বক্তব্যের চেয়ে বড় একজন রাজনীতিকের পুরো পথচলা তাড়াইলে জাতীয় ছাত্র শক্তির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি মানবতাবিরোধী মামলায় কাদের-নাসিমসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বেতাগীতে পৃথক ঘটনায় গৃহবধূ ও যুবকের মৃত্যু কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মইনুলের দুর্নীতির প্রমাণ যাচাইয়ের দায়িত্ব তাকেই দিলেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৮০৬ বার পঠিত

দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মইনুল ইসলামকে রক্ষা করার জন্য অভিনব কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। তার করা দুর্নীতির প্রমাণপত্রের সত্যতা যাচাই করার জন্য তাকেই নিযুক্ত করা হয়েছে। আর এই কাজটি করেছেন মইনুলের বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির আহবায়ক গণপূর্ত উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে.এম. কামরুজ্জামান। অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মো: মইনুল ইসলামের সাথে আঁতাতেই এই পদক্ষেপটি তিনি নিয়েছেন বলে জানা যায়।

গত মার্চ মাসের ১৫ তারিখে এই তদন্ত কমিটির কাছে মইনুলের দুর্নীতির ভিডিও প্রমাণ সরবরাহ করা হয়। সেই ভিডিও প্রমাণের সত্যতা তদন্ত কমিটি এখন পর্যন্ত স্বশরীরে যাচাই না করে অভিযুক্ত মইনুলকেই দায়িত্ব দিয়েছে ভিডিও প্রমাণের সত্যতা যাচাই করার। আর এই কাজটি করা হয়েছে যাতে মইনুল ভিডিওতে দেওয়া প্রমাণগুলোকে বিকৃত করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারে। শুধু তাই নয়, দুর্নীতির জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার একটা নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকলেও মইনুলের ক্ষেত্রে সেরকম নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নেই। এরকারণ হচ্ছে মইনুলকে যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া যাতে সে তার দুর্নীতির প্রমাণগুলো মিটিয়ে ফেলতে পারে। আর নীতির বাহিরে এই সুযোগ দিচ্ছেন মইনুলের দুর্নীতির প্রশ্রয়দাতা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে.এম. কামরুজ্জামান।

কামরুজ্জামান গত মার্চের ১৫ তারিখে অভিযোগকারীর অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণাদি দাখিল ও বক্তব্য পেশ করার সময় ধার্য করে নিজেই অভিযোগকারীর মুখোমুখি হননি। বর্তমানে তিনি অভিযোগকারীর অভিযোগের স্বপক্ষে দাখিলকৃত ও উল্লেখিত দুর্নীতির প্রমাণাদি যাতে নষ্ট করা যায় সেটা নিয়ে সচেষ্ট আছেন।

এই বিষয়ে গত বুধবার গণপূর্ত উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে.এম. কামরুজ্জামানের বক্তব্য চাওয়া হলে তিনি জানান যে ‘মইনুলের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে।’ মইনুলের দুর্নীতির ভিডিও প্রমাণের সত্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব মইনুলকেই দেওয়া হয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যে তিনি ভাত খাচ্ছেন। খেয়ে কল ব্যাক করছেন। কিন্তু তিনি পরে আর কল ব্যাক করেননি। তাকে পরে আবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

উল্লেখ্য যে গণপূর্তের প্রকৌশলী মো: মইনুলের বিরুদ্ধে টেন্ডার বাণিজ্য, উচ্ছেদ ও অবৈধ দোকান বসিয়ে শত কোটি হাতিয়ে নেওয়াসহ দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিস্তর অভিযোগ জমা পরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই মইনুলের দুর্নীতির তদন্ত করার জন্য গণপূর্ত উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.কে.এম. কামরুজ্জামানকে আহবায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..