মোবাইল ফোনে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে বিয়ে করার মাত্র তিন দিনের মাথায় স্ত্রীকে তার পরিবার পুলিশ দিয়ে নিয়ে যাওয়ার যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সোহান হোসেন (১৮) নামের যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে ২৩ আগস্ট রবিবার রাতে আদমদীঘি উপজেলা সদর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে। জানা গেছে, উপজেলা সদরের শিবপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে সোহান হোসেন ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করার সময় মোবাইল ফোনে বগুড়ার কাহালু উপজেলার কুর্নিপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে সোনিয়া আক্তার মিম (১৭) এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। দুই বছর প্রেম চলার পর সোহান ও মিম ৯ আগস্ট নোটারী পাবলিকে এভিডেভিড মাধ্যমে বিয়ে করে। এর পর সোহান হোসেন তার নববিবাহিত স্ত্রী সোনিয়া আক্তার মিমকে নিজ বাড়িতে এনে বসবাস করতে থাকে। খবর পেয়ে সোনিয়া আক্তার মিমের পরিবার ১২ আগস্ট পুলিশ নিয়ে এসে তাকে তার স্বামীর বাড়ি থেকে নিয়ে যায়। এদিকে নব বিবাহিত স্ত্রীকে হারানোর যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে অবশেষে ঘটনার ১১ দিন পর রবিবার (২৩ আগষ্ঠ) দিবাগত রাতে নিজ শয়ন ঘরের তীরের সাথে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেন সোহান হোসেন। পরদিন (২৪ আগষ্ঠ) সোমবার সকালে পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহান হোসেনের লাশ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়। এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে থানার অফিসার ইনর্চাজ মোঃ কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, মৃত সোহানের লাশের ময়না তদন্ত করার জন্য বগুড়া মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামালা দায়ের করা হয়েছে।