রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিচ্ছেদের গুঞ্জনে যা বললেন ফারুকী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর রূপপুরের বিদ্যুৎ উৎপাদন বায়রার অপেক্ষায় এশিয়া কাপের সূচি প্রকাশ সাংবাদিক ও সাবেক এমপি শফিকুর রহমান মারা গেছেন আমতলীতে পুলিশ স্টল দখলমুক্ত করার এক ঘণ্টা পর ফের দখলের অভিযোগ সান্তাহারে ৩ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি মহিত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে জুয়েল খান, এখন বিএনপিপন্থী সংগঠনের প্রধান অতিথি বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল ও ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঠিকাদার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে শিবগঞ্জে ইউএনও মাজহারুল ইসলাম ও নাহিদ উজ্জামানকে সংবর্ধনা

তথ্য উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫
  • ৫৮৮৬ বার পঠিত

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনা প্রবাহের তথ্য প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর বেশ কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর কয়েকটি প্রকাশনাও তৈরি করা হয়েছে।

সাক্ষাতকালে উপদেষ্টা আরও জানান, আগামী ৫ই আগস্ট উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও কিছু প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনা তৈরি করা হবে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, দেশের গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, এ বছর বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে।

এ সাফল্যের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

এ সময় ব্রিটিশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়ে হাইকমিশনার তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

তিনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময়  ব্রিটিশ হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি এলি বুট উপস্থিত ছিলেন।

দয়া করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..